বার্তা পরিবেশক : গত ৩ সেপ্টেম্বর টেকনাফ টুডে অনলাইন ও ৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক বাঁকখালী, আপনকণ্ঠসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত “ খারাংখালীতে চোরাইপণ্যসহ মহিলা আটক : হাফেজ আহমদ, হারুন ও খালেক ধরা-ছোঁয়ার বাইরে ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা এলাকাবাসীর মধ্যে দ্বন্দের জেরধরে সংবাদকর্মীদের ভূঁয়া তথ্য দিয়ে আমাকে হয়রানির লক্ষ্যে বিভ্রান্ত সৃষ্টির পায়তারা।
আমি চলতি বছরের শুরুতেই সৌদিয়া হতে এলাকায় আসি। পুনরায় যাওয়ার ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত এলাকাবাসী সকলের সাথে স্বাভাবিক নিয়মে উঠাবসা করে আসছি। চোরাচালান ও মাদক পাচার সংক্রান্ত কোন কিছুর আমার জানা নেই। আমি এই পর্যন্ত সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজে সংশ্লিষ্ট নয়। স্থানীয় কিছু মানুষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। যা নিয়ে প্রায় সময়ই উত্তপ্ত পরিবেশ বিরাজ করে। আমার মনে কোন ধরনের সংশয় না থাকায় সকলের সাথে মিলে মিশে থাকায় বিশেষ একটি মহলের চোখের বালিতে পরিণত হয়। তাতেই আমাকে চোরাকারবারী সাজানোর জন্য এসব ষড়যন্ত্র।
তাই পুলিশের চোরাচালান বিরোধী অভিযানের ফাঁকে আমার মত বিদেশ ফেরত নিরীহ লোকজনকে ফেলে হয়রানির অপচেষ্টা চালিয়েছে। আমি উক্ত সংবাদাংশে আমার নামটি জড়িত করা অংশের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। উক্ত বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানিয়ে আগামীতে এই ধরনের সংবাদ পরিবেশনে সাংবাদিক ভাইদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
আব্দুল খালেক
পিতা- হাজী শাহ আলম
পশ্চিম মহেশখালীয়া পাড়া, হোয়াইক্যং, টেকনাফ।
