নোয়াখালীতে গভীর রাতে আ’লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

Anow.webp

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার গভীর রাতে উপজেলার মীরওয়ারিশ পুর গ্রামের বাদি গাছতলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবু ছায়েদ ভূঞা রিপন (৪৮) মিরওয়ারিশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১ নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি একই ইউনিয়নের তালুয়া চাঁদপুর গ্রামের ভূঞা বাড়ির মৃত রফিক ভূঞার ছেলে।

বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালেম পাঠিয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের সময় দুর্বৃত্তরা আবু ছায়েদের সঙ্গে থাকা আড়াই লাখ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক পুলিশ এবং নিহতের পরিবার এ হত্যাকাণ্ডের কোনও কারণ জানাতে পারেনি।

নিহতের ছেলে ইমরান হোসেন জানান, সোনাপুর-ঢাকা রুটে চলাচলকারী এসিবাস লাল সবুজ পরিবহনের বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা বাস কাউন্টারের ম্যানেজার ছিলেন তার বাবা। বুধবার রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে যে কোনও এক সময়ে বেগমগঞ্জের চৌরাস্তার লাল সবুজ বাস কাউন্টার থেকে টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। ফেরার পথে কে বা কারা তার বাবাকে প্রথমে চলন্ত মোটরসাইকেলে মাথায় কুপিয়ে গুরুত্বর আহত করে। এরপর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গেলে হাতে, পায়ে কুপিয়ে পায়ের রগ কেটে হত্যা করে বারিয়া হাট-বাজার সংলগ্ন মোসলে উদ্দিন মাওলানার বাড়ির দরজায় মরদেহ রেখে চলে যায়।

ইমরান হোসেন আরো বলেন, আমার অসুস্থ কাকার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তার চিকিৎসার আড়াই লাখ টাকা বাবার সঙ্গে ছিল। ওই টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন সন্ত্রাসীরা লুটে নেয়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য সকাল ১০টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে এবং কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।