টেকনাফের হ্নীলায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণকারীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবী

Tek.jpg

ফরিদুল আলম : হ্নীলা মৌলভী বাজারে মৎস্যঘেঁর নিয়ে সংঘর্ষে কতিপয় ভাড়াটে কর্তৃক প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণে জড়িতরা এখনো আইনের আওতায় না আসায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে ভাড়াটে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী উঠেছে।

জানা যায়, গত ২২অক্টোবর (শুক্রবার) সকাল ১১টায় উপজেলার হ্নীলা মৌলভী বাজারস্থ মুসলিম পাড়ার পূর্ব পাশে লম্বা গোদা নামে মৎস্যঘেঁরে কোনা পাড়ার মৃত ছিদ্দিক আহমদের পুত্র শামসুল আলম প্রকাশ দুদু মিয়া গং এবং মুসলিম পাড়ার ছিদ্দিক আহমদের পুত্র মোহাম্মদ আলী দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের ৬/৭জন আহত হয়। এই ঘটনায় এক পক্ষের হয়ে হোয়াইক্যং পশ্চিম মহেশখালী পাড়ার কাঁচার পাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলীর পুত্র শামসুল আলমের নেতৃত্বে ৪/৫জন ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে ঘটনাস্থলে এসে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ করে। ভাড়াটে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে আতংকিত করে তুলেছেন। তাই এসব চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কোন প্রকারে ছাড় দেওয়া যাবেনা। এই ব্যাপারে উভয়পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে এসআই মোঃ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

এই ব্যাপারে সংঘর্ষে লিপ্ত মুসলিম পাড়ার ছিদ্দিক আহমদের পুত্র মোহাম্মদ আলী জানান,মৎস্যঘেঁর নিয়ে প্রতিপক্ষের সাথে আমাদেও সংঘর্ষ হয়েছে তা ঠিক। কিন্তু তারা পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ভাড়াটে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এনে দিন-দুপুরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে আইন-শৃংখলা বাহিনীকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট অভিযোগ এনে পরিবেশ ঘোলাটে করছে। তাই তাদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার বেলাল উদ্দিন জানান, মৎস্যঘেঁরের বিরোধ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কতিপয় ভাড়াটে সন্ত্রাসী এসে প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে লোকজনকে আহত এবং আতংকিত করে তোলেন। তাদের দ্রুত সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইন-শৃংখলা বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ###