রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ

26103BD7-322D-4206-A763-217433DAEB50.jpeg

ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সেবা কার্যক্রমে জাতিসংঘ সংযুক্ত হওয়ায়

কক্সবাজার প্রিতিনিধি, ১২ অক্টোবর।

নোয়াখালীর ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাতিসংঘের শরনার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর- সংযুক্ত হওয়ায় কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাধারণ রোহিঙ্গারা আনন্দ মিছিল মিছিল বের করেছে। আজ মংগলবার দুপুরে উখিয়া কুতুপালং মেঘা ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় তারা এই আনন্দ মিছিল বের করে। এসময় ক্যাম্পের মাঝিরা সাধারণ রোহিঙ্গাদের মিষ্টি বিতরণ করে। মাঝিরা জানান গত বছর থেকে বাংলাদেশ সরকার নোয়াখালী জেলার ভাসান চরে একটি আধুনিক আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করে। সেখানে এ পর্যন্ত ১৭/১৮ হাজার রোহিঙ্গাকে নিয়ে গেছে। কিন্তু এতদিন ভাসান চরে জাতিসংঘের শরনার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর সেখানে মানবিক সহায়তায় অংশ নেয়নি। এখন জাতিসংঘ ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা সহ সব ধরনের সহায়তা দিতে রাজি হয়েছে। তারা সরকারের সাথে ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিতে সরকারের সাথে চুক্তি করেছে। তাই রোহিঙ্গারা ভাসান চরে এখন অনেক শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারবে। ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্তিতে তাই সাধারণ রোহিঙ্গারা খুশি। রোহিঙ্গারা জানান এখন অনেকেই ভাসান চরে যেতে আগ্রহী হবে।

কক্সবাজারে শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাশন কমিশন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান ইতোমধ্যে ভাসান চরে ১৮ হাজার রোহিঙ্গাকে কক্সবাজার থেকে স্থানান্তর করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি লকডাউন এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে এতদিন ভাসান চরে স্থানান্তর সাময়িক বন্ধ ছিল। আগামী মাসের মধ্যেই ভাসান চরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
উখিয়া কুতুপালং শরনার্থী শিবিরের ক্যাম্প ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানিয়েছেন কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের মাধ্যমে সেচ্ছায় ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের তালিকা প্রনয়ন করছে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সাথে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এর সাথে চুক্তি হওয়ার পর ভাসানচরে ১ লাখ রোহিঙ্গার মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে কার্যক্রমে যুক্ত থাকবে। রোহিঙ্গারা এতে খুশি। তাই তারা ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে।
তিনি জানান ক্যাম্পের পরিস্থিতি এখন অনেক শান্ত।

সরকার কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ওপর থেকে চাপ কমাতে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ পর্যন্ত ছয় দফায় ১৮ হাজার ৫২১ জন রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে শিশু আট হাজার ৭৯০ জন। নারীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩১৯ জন ও পুরুষের সংখ্যা