হোয়াব্রাংয়ে ইয়াবার চালান ছিনিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় তোলপাড়!

yaba-1-1.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলা মৌলভী বাজার পয়েন্ট থেকে রোহিঙ্গা কর্তৃক হ্নীলা ফুলের ডেইল ও আলীখালী কেন্দ্রিক সিন্ডিকেটের জন্য আনা লাখ পিস ইয়াবার চালান ছিনিয়ে নিয়ে ৭লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। মুক্তিপণ দেওয়ার পর এই মাদকের চালান পুনরায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় মাদক সম্রাজ্যে ব্যাপক তোলপাড় চলছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৬সেপ্টেম্বর ভোরে হ্নীলা মৌলভী বাজারের মুসলিম পাড়া সংলগ্ন পয়েন্ট হতে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা কর্তৃক ১লাখ পিস ইয়াবার চালান নিয়ে আসে। স্থানীয় মাদক কারবারী চক্রের সহযোগীরা এই মাদকের চালানসহ গন্তব্যে আসার সময় হোয়াব্রাং এলাকায় পৌঁছলে এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী চক্রের সদস্য মৃত আবুল হোছনের পুত্র বদি আলম প্রকাশ কানা বদি, শামসুল আলমের পুত্র লাল মিয়া, দুদু মিয়ার পুত্র বদিউল আলমসহ ১০/১২জনের একটি গ্রুপ এক লাখ পিস ইয়াবার চালানটি ছিনিয়ে নেয়। মাদক কারবারী চক্রের সাথে মুক্তিপণের দর কষাকষির পর ৭লাখ টাকায় মাদকের চালানটি মালিককে ফেরত দিতে সম্মত হয়।
এই ব্যাপারে অভিযুক্ত কানা বদির সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করা হলে সে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হয়নি।

লাল মিয়া জানান, এলাকায় কয়েকজন লোক ধানের চাষ নষ্ট করে ইয়াবার চালান নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যায়। মাদকের চালান বহনকারী চক্রকে ধাওয়া করলে পূর্ব সিকদার পাড়া উত্তরের বিলে চলে যায় এবং সেখানে আরো একটি চক্রের খপ্পরে পড়ে বলে শুনেছি।

এই ব্যাপারে এলাকার ফরিদ নুর নামে একজন জানান,এলাকায় মাদকের চালান লুটপাটের ঘটনাটি আমিও শুনেছি। কারা এই ধরনের অপরাধে জড়িত তাদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা দরকার।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী,মাদকের চালান খালাস,লুটপাট ও পরিবহনে জড়িতরা সবাই সমান অপরাধী। এই অপরাধে জড়িতদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সীমান্ত রক্ষী বিজিবি,আইন-শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনী ও মাদক নির্মূলে জড়িত বিশেষ বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
রাতে মধ্যস্থাতার মাধ্যমে ৭লাখ টাকা কানা বদি গ্রহণ করে ২৭ সেপ্টেম্বর ভোররাতে প্রথম প্রহরের দিকে মাদকের চালান ফেরত নিয়ে গন্তব্যে নেওয়ার পথে পূর্ব সিকদার পাড়ার উত্তর বিলে পৌঁছলে আরো একটি ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে। তখন স্বশস্ত্র ছিনতাইকারীর সদস্যরা গোলাগুলির এক পর্যাযে এক লাখ পিস মাদকের চালান ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এখন মালিক পক্ষ পুনরায় ছিনিয়ে নেওয়া মাদকের চালান উদ্ধারের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। ###