নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অপহরণকারী চক্র পুতিয়া গ্রুপের কবল থেকে ৩জন ভিকটিম উদ্ধার

Teknaf-Pic-A-26-09-21-scaled.jpg

হুমায়ূন রশিদ : কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা টেকনাফের নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড় থেকে সংঘবদ্ধ পুতিয়া গ্রুপের কবল থেকে ৩জন ভিকটিমকে উদ্ধার করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুত্র জানায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) দুপুর ১টারদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর চৌকষ একটি আভিযানিক দল নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের আই বøক সংলগ্ন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে নোয়াখালী হাতিয়ার আফাজিয়া এলাকার মৃত হুমায়নের পুত্র আজিজুল ইসলাম (২৪),ঢাকা নারায়নগঞ্জের আড়াই হাজারের লাকুপোড়া গ্রামের মৃত আশকর আলী সিকদারের পুত্র আল আমিন (৪০) এবং বি-বাড়িয়া সরাইল থানার নোয়াগাও গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেব মৃধার পুত্র মোঃ মোক্তার হোসেন মৃধা (২৭) কে উদ্ধার করতে গেলে অপহরণকারী চক্রের সদস্য, আই ব্লকের পুতিয়া গ্রুপের প্রধান ছৈয়দ হোছন প্রকাশ পুতিয়া (২২), এহসান (২৬), আলম (২৪), গুরা মিয়ার পুত্র জুবায়ের (২৫), মিন্টু মিয়া (২৮), সোলতান আহমদের পুত্র হাসান আহমদ (২৮), নুরুল ইসলাম মাঝি, সাইদুল ইসলাম প্রকাশ জালিয়া (২৮), মোঃ শফির পুত্র হামিদ হোসেন প্রকাশ ভুতরা (৩৫), নাগুর পুত্র মোঃ সালাম প্রকাশ চাকমারা (৪২), আবু সোলতানের পুত্র মোঃ ইসমাঈল (৩০), আবুল কালামের পুত্র নুর কামাল (২৫), নুর হোসাইনের পুত্র মোঃ রাসেল (২৭), মোঃ হোসাইনের পুত্র মোঃ ইউছুফ (২১), পাতলার পুত্র করিম (২০), মোঃ ছায়েদ আহমদের পুত্র মোঃ ইউনুছ (৩৫), জকির আহমদের পুত্র জাবের হোসেন (২২) এবং মোঃ হাশেম (৩০) পালিয়ে যায়। এরপর ভিকটিমদের উদ্ধার করে চিকিৎসা সহায়তার পর পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, অপহরণকারী সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা গত ২৩ সেপ্টেম্বর কনস্ট্রাকশনের কাজ দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে এনে কৌশলে পাহাড়ে নিয়ে ৫লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। ভিকটিম আজিজুল ইসলামের ভাই সায়েম এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে এবং অপহৃতদের উদ্ধারে র‌্যাবের সহায়তা কামনা করে। তখন র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণকারী চক্রের অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া এন্ড অপারেশন্স) সিনিয়র এএসপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান,এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা থাকায় উদ্ধারকৃত ভিকটিমদের চিকিৎসার পর পরিবারের নিকট সোর্পদ করা হয়েছে এবং অপহরণকারী চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ###