হ্নীলায় ৫জনকে হামলার ঘটনায় বিএনপি নেতা পান্ডুসহ ২১জনের বিরুদ্ধে মামলা

Teknaf-Pic-A-25-09-21.jpg

বার্তা পরিবেশক : সদ্য সমাপ্ত হ্নীলা ইউপি নির্বাচনে ৫নং ওয়ার্ড থেকে মেম্বার পদে পরাজিত হয়ে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী নুরুল ইসলামসহ ৫জনকে রক্তাক্ত করার ঘটনায় বিএনপি নেতা আলী আহমদ পান্ডুসহ ২১জন নামীয় এবং অজ্ঞাত আরো ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ২৪সেপ্টেম্বর টেকনাফ মডেল থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্র জানায়,গত ২০সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোঃ হোছনের পুত্র এবং মেম্বার পদে ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতাকারী নুরুল ইসলাম (এম,এ) সর্ঙ্গীয় ভাই, নেতা-কর্মীদের নিয়ে ভোট কেন্দ্র থেকে ফলাফল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে হ্নীলা ষ্টেশনের আবুল কাশেম ক্রোকারীজ দোকানের সামনে পৌঁছলে হ্নীলা ৫নং ওয়ার্ড থেকে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে পরাজিত প্রার্থী এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আহমদ পান্ডুর নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একটি গ্রæপ ক্ষুদ্ধ হয়ে দেশীয় তৈরী কাটা বন্দুক, লম্বা কিরিচ, দা ও লোহার রড দিয়ে স্বশস্ত্র হামলা চালিয়ে পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম মোহাম্মদ হোসেন মেম্বারের পুত্র মেম্বার পদপ্রার্থী নুরুল ইসলাম (৩৭),মোহাম্মদ ইসমাইল লেমন (৩৫),সাইফুল ইসলাম (২২),চাচাত ভাই মোহাম্মদ (১৫) ও মুছা আলীকে রক্তাক্ত এবং মুমূর্ষাবস্থায় ফেলে রাখে। যাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয় এবং এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এই ধরনের ন্যাক্কারজনক এবং নৃশংস হামলার ঘটনায় আহত মেম্বার প্রার্থী নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। যার নং-৮৪/২১, তারিখ-২৪-০৯-২১ইং। এতে প্রধান আসামী করা হয়েছে পরাজিত মেম্বার প্রার্থী, হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত খাইরুল বশরের পুত্র এবং বিএনপি নেতা আলী আহমদ (৫৫) পান্ডু। এছাড়া তার ভাই ছৈয়দ আলম ছৈয়তু (৫৩), রশিদ আহমদ (৫২), জহির আহমদ (৫০), মৃত মমতাজের পুত্র ফরিদ আলম প্রকাশ কলা ফরিদ (৪২), মৃত নুর মোহাম্মদের পুত্র মোঃ নুর (২৮), আব্দুল কাদেরের পুত্র আব্দুল্লাহ (২৭), ছৈয়দ আহমদ ছৈয়তুর পুত্র মোহাম্মদ (২৭), রশিদ আহমদের পুত্র ওসমান (২৮), ইরহাম (২০), আলী আহমদ পান্ডুর পুত্র মোহাম্মদ ইলিয়াছ (২৮), মৃত নুর মোহাম্মদের পুত্র আনিস (২০), জয়নাল প্রকাশ জয় (২০), মৃত আবুল মঞ্জুরের পুত্র বাহাদুর (৩৫), মৃত নুর মোহাম্মদের পুত্র মোঃ ফয়সাল (২০), মৃত মমতাজের পুত্র আব্দুস সালাম (২২), আব্দুল গফুর (২৮), নুরুল আলমের পুত্র মোঃ সাইফুল (২০), শাহাব মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ (২২), পূর্ব পানখালীর মৃত কামালের পুত্র মোঃ ইউনুছ (২০) এবং পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত মমতাজের পুত্র আব্দুল করিম (৩০) কে নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫জনকে আসামী করা হয়।

সাবেক এই জনপ্রতিনিধি ও বিএনপি নেতা বিগত কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পেশীশক্তির দাপটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং সাধারণ মানুষের উপর হামলা ও হুমকি নৈমত্তিক কর্মে পরিণত করেছে। তাই এসব চিহ্নিত অপরাধী চক্রকে দ্রæত আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে নির্বাচনের দিন রাতে নির্মম হামলার শিকার নুরুল ইসলামের পরিবার এবং স্বজনেরা। ###