হোয়াইক্যং,হ্নীলা ও সাবরাং ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পুরানরাই এগিয়ে ; সদরে নতুন মুখ

Teknaf-Pic-A-20-09-21-scaled.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : টেকনাফের ১টি ইউনিয়নে ২/১টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া অবশিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ সমুহে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এতে হোয়াইক্যং, হ্নীলা ও সাবরাংয়ে পুরান প্রার্থীরাই জয়ী হলেও টেকনাফ সদরে বিজয়ী হয়েছে নতুন মুখ। তবে বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনকালীন ও পরবর্তী সংঘর্ষ, মারামারী এবং গোলাগুলির ঘটনায় ৫জন আহত হয়েছে।
২০সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার হোয়াইক্যং, হ্নীলা, টেকনাফ সদর এবং সাবরাং ইউনিয়নে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। দুপুরের দিকে ১নং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ঊনছিপ্রাং, লম্বাবিল কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা প্রভাব বিস্তার করতে গেলে দায়িত্বরত ম্যাজিষ্ট্রেট বাঁধা দেওয়ায় আইন-শৃংখলা বাহিনীর গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় কেন্দ্র ২টির ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হওয়ায়।
এরপর বিকালে ভোট গণনা করে বেসরকারী সুত্রে প্রাপ্ত ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা মার্কার প্রতীক ১০টি কেন্দ্রে প্রাপ্ত বেসরকারী ফলাফলে ৯হাজার ১শ ৩০ভোট পেয়েছে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত আজিজুক হক ৬হাজার ২শ ৩ভোট পেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান রয়েছে ২হাজার ৯শ ২৭ ভোট।
২নং হ্নীলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ৪জন রয়েছেন। তম্মধ্যে সাবেক সাংসদ আলহাজ¦ অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ২য়পুত্র, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, বর্তমান হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ মনোনীত রাশেদ মাহমুদ আলী ৯টি কেন্দ্রে ১০হাজার ৭শ ৬ ভোট পেয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ¦ এইচকে আনোয়ারের ২য়পুত্র আলী হোছাইন শোভন ৯টি কেন্দ্রে ৬হাজার ২শ ১৭ ভোট। নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪হাজার ৪শ ৪৮ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
৩নং টেকনাফ সদর ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদের পুত্র যুবনেতা জিয়াউর রহমান জিহাদ মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ৯হাজার ৫শ ভোট পেয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি বর্তমান চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া ৭হাজার ৭শ ৭১ভোটে পিছিয়ে রয়েছে।
৪নং সাবরাং ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান নুর হোসেন আনারস প্রতীক নিয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ে প্রায় ৩হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছে।
এদিকে হ্নীলা আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দানের বিষয়কে কেন্দ্র করে দফায় দফায় ত্রিমুখী সংঘর্ষে ফুলের ডেইলের মরহুম হাজী জাফর আহমদের পুত্র শহিদুল ইসলাম বাদশা, আলমগীর, হাজী নুরুল আলমের পুত্র নুরুল আবছার গুরুতর আহত ও রক্ত্ক্তা হয়। তাদের কক্সবাজার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়। হ্নীলা ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে ঘোষিত ফলাফলে ৭ভোটের ব্যবধানকে কেন্দ্র করে আব্দুল্লাহ হাসান এবং মোহাম্মদ আলী মেম্বার গ্রæপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। হ্নীলা ৫নং ওয়ার্ডে পাখা মার্কার প্রার্থী আলী আহমদ মেম্বারের কর্মী-সমর্থকদের হামলায় প্রতিদ্বন্দি ফুটবল মার্কার প্রার্থী নুরুল ইসলাম (এম,এ) এবং তার ভাই মোঃ ইসমাঈল লেমনের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া নয়াবাজার ৭নং ওয়ার্ডে এক পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের গোলাগুলিতে এলাকাবাসী আতংকিত হয়ে উঠে। হ্নীলা ২নং ওয়ার্ডে নবনির্বাচিত মেম্বার বেলাল উদ্দিনের কর্মী-সমর্থকদের ধাওয়া ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের ফোরকান সমর্থকেরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে দাবী করেন। এই ব্যাপারে নির্বাচিত বেলাল উদ্দিন জানান, আমি বিজয়ী হওয়ার পর শুভাকাংখীদের সাথে স্বাক্ষাৎ করে চলে আসি। এই জাতীয় কোন ঘটনা ঘটেনি। ###