যে কারণে খালেদাকে বিদেশ নেয়ার তৎপরতা

hh-1.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। চিকিৎসা নিচ্ছেন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। ২৭শে এপ্রিল ভর্তির পরে ৩রা মে শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। আগে থেকেই আলোচনায় বিদেশে চিকিৎসার বিষয়টি থাকলেও এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
৩রা মে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফোন করেন। জানান খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা।
তবে ৪ঠা মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেওয়ার ব্যাপারে বিএনপি বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি।
গতকাল বুধবার খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক জানান, খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড সব রিপোর্ট ও সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সুপারিশ করে।

মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ ও পরিবারের ইচ্ছায় খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে লিখিত আবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যান শামীম এস্কান্দর।
আবেদনের বিষয়ে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম গণমাধ্যমে জানান, আবেদনে কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি। তবে সরকার অনুমতি দিলে খালেদা জিয়াকে তারা লন্ডনে নিতে চান।
এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সরকার মানবিক কারণে করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দেশের বেশিরভাগ মানুষের আকাক্সক্ষা বা ইচ্ছা যে তার চিকিৎসাটা পূর্ণাঙ্গ কোনো হাসপাতালে হোক। উন্নত বলতে, বাংলাদেশের উন্নত হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন। আরও উন্নত বিদেশে কোনো হাসপাতালে তার চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব কি না? এই বিষয়ে গতকাল তার পরিবার থেকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য যে অনুমতি দরকার, তা চাওয়া হয়েছে।
আমরা আশা করি সরকার মানবিক কারণে তার বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন। দেশের ১৮ কোটি মানুষের সবচেয়ে প্রিয় নেতা সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করবেন।

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর আবেদনের ফাইল মন্ত্রণালয়ে এসেছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আবেদন আমার হাতে আসলে সেই বিষয়ে মতামত দেব।
আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে আইনমন্ত্রী বলেন, ফাইলটি এখনও আমার কাছে পৌঁছায়নি। আমার সচিবের কাছে গতকাল (বুধবার) রাত ১১টায় পৌঁছেছে। যথারীতি যে ফর্মালিটিজগুলো করতে হয় সেগুলো করে আমার কাছে আসবে। আবেদনটি আসলে পরে আমি আমাদের মতামত দেব।