উখিয়ায় ইউএনও এসিল্যান্ডের গাড়ি ভাংচুর, হামলার ঘটনায় ৩টি মামলায় আসামী ১৮৮ জন

180712600_497978748016154_6691962860823313816_n.jpg

পুলিশের কনস্টেবল সোহেল রানা বললেন এখন থানা গরম পরে আসেন

মুহাম্মদ হানিফ আজাদ, উখিয়া :
কক্সবাজারের উখিয়ার সোনার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে সরকারি ভবণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে একদল উশৃংখল জনতা স্কুল শিক্ষক ও উপজেলা প্রশাসনের উপর হামলার ঘটনায় ৩টি মামলা দায়ের হয়েছে থানায়। মামলায় এজাহার নামিয় ৩৮জন ও অজ্ঞাত ১৫০ জনসহ ১৮৮ জনের বিরোদ্ধে সরকারী কাজে বাধা সরকারী কর্মকর্তাদের গাড়ী ভাংচুর এই মামলা গুলো দায়ের করেন।

সোমবার ঐ মামলায় আরো ৪জন পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালাহউদ্দিন জানান রোববার দুপুর ২টারদিকে সন্ত্রাসী লোকজন সোনার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে সরকারি ভবন নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ ইঞ্জিনিয়ার সহ স্কুলের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে খুঁটি স্থাপনের সময় আবু ছৈয়দ ফজলী ও মোহাম্মদ হোসনের নেতৃত্বে একদল উশৃংখল জনতা স্কুল শিক্ষকদের উপর হামলা চালায়৷
এতে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিলন বড়ুয়া, সহকারি শিক্ষক বাবুল ও শামশুল আলম ভুলু গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এছাড়া অবৈধ জনতা স্কুলের তালা, সিসি ক্যামরা, দরজা, জানালা ভাংচুর করে।

পরে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উখিয়া সহকারি কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সংঘবদ্ধ জনতা দুই কর্মকর্তার গাড়ীতে ইট-পাটকেল ছুড়ে সরকারি গাড়ীর গ্লাস ভাংচুর করে। পুলিশ ফাঁকা টিয়ার সেল নিক্ষেপ করলে উশৃংখল জনতা ছত্র ভঙ্গ হয়ে যায়।ওই সময় দেলোয়ার ও হাসিনা বেগম আহতহয়। তাদেরকে ও উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷
রো্ববার পুলিশ এঘটনায় অভিযান চালিয়ে আবু ছৈয়দ ফজলি ও মোঃ কালু নামের ২জন কে আটক করে।

এ ঘটনার খবর পেয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উখিয়া সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিমুল এহসান খানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সরকারি স্কুল ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের উপর হামলা চালায় কিছু দুষ্কৃতিকারী।খবর পেয়ে আমি এবং ইউএনও ঘটনাস্থলে গেলে তারা অতর্কিত ভাবে আমাদের গাড়ীতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।এতে আমার গাড়ীর দুইসাইডের গ্লাস এবং ইউএনও গাড়ীর সাইডেও পেছনের গ্লাস ভেঙ্গে যায়।এঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উখিয়া থানার ওসি আহমদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন এ ঘটনার ব্যাপারে এখন কিছু বলা যাবেনা পরে আসেন।

ঘটনার বিস্তারিত জানতে গিয়ে উখিয়া থানার ডিউটি অফিসারের কার্যালয়ে যেতে চাইলে থানায় দুইতলার প্রথম ফটকে দাড়িয়ে আছেন উখিয়া থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা সে সাংবাদিককে জিজ্ঞেস করেন বলেন কোথায় যাবেন। সাংবাদিক ডিউটি অফিসারের কাযালয় যাইতে চাইলে সে বলেন থানা এখন গরম সেখানে যাওয়া যাবেনা পরে আসেন। সোমবার দুপুর ১.১৫ মিনিটের সময় সাংবাদিককে সে এ কথা বলেন।

পরে মুঠোফোনে উখিয়া থানারওসি (তদন্ত) গাজী সালাহউদ্দিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত তথ্য জানান।