টেকনাফে সীমানা বিরোধের জের ধরে হামলার পর অবরুদ্ধ, আহত ২

Hmla.jpg

শাহীন শাহ, টেকনাফ (কক্সবাজার) ছবি আছে
কক্সবাজারের টেকনাফে সীমানা বিরোধের জের ধরে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী হামলায় দুই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা হামলার পর বাড়িতে অরুদ্ধ করে রাখেন তাদের। হামলার পর দীর্ঘ ৬ ঘন্টার পর স্থানীয়রা এগিয়ে উদ্ধার করে আহতদের হাসপাতালে প্রেরণ করে।
২৯ এপ্রিল দুপুরে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছি ব্রিজ গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ছেয়দ হোসেনের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ প্রকাশ আলতু মিয়া (৩৫) ও মো. গফুর সওদাগর (৩৮)। তারা টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিনের ভোগ দখলীয় বসত ভিটায় প্রতি বছরের মতো সীমানায় প্রাচীর বা ঘেরাবেড়া দিচ্ছিলো। এমন সয় পাশ^বর্তী চিহ্নিত দূর্বত্তরা লাঠিসোটা ও দা কিরিচ নিয়ে জঘন্যভাবে হামলা চালায়। এতে ওই দুই ব্যক্তি আহত হলে মধ্যযুগীয় কায়দায় তাদের বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছিলোনা। দীর্ঘ ৬ ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকার পর স্থানীয়দের সহায়তায় বাদ মাগরিব প্রথমে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করা হয়। অবস্থা বেগতিক হলে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। তাদের মধ্যে গফুরের অবস্থা গুরুতর। তিনি মাথায় খুব বেশি আঘাত পান।
মো. আব্দুল্লাহ জানান, নিজের ভোগদখলীয় বসত ভিটায় ঘেরা বেড়া আগের মতো করে দিতে যায়। কোনো কথাবার্তা ছাড়া পাশ^বর্তী আমির হোসেন, মো. জসিম, হেলাল উদ্দিন নুর মোহাম্মদ সহ অপরাপর ব্যক্তিরা যে যার মতো করে দা, কিরিচ লাঠিসোটা দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করেন। তাদের অবৈধ টাকার জোরে এসব সন্ত্রাসী কার্যকলাপ অব্যাহত রেখেছে। সেই সাথে আমির হোছন সহ কয়েকজন ইয়াবা নিয়ে ধরে পড়ে দীর্ঘ দিন কারাভোগ শেষে এসব অপকর্ম করেই বেড়াচ্ছেন। এসব নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে একাধিকবার বিচার সালিশও হয়েছিলো। কিন্তু তারা কোনো ধরণের তোয়াক্কা করছেনা।
এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক (এসআই) নূরে আলম জানান, বিষয়টি অবগত রয়েছি। উভয় পক্ষে আহত হয়েছে বলে শুনেছি। তবে কেউ অভিযোগ করেন নি। খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।