গবেষণায় তথ্য ; কাজের মাঝে বিরতি ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে

k-2.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : করোনা মহামারির এই সময়ে বিশ্বের অনেক স্থানেই মানুষ বাসায় বসে অফিসিয়াল কাজ সারছেন। এতে প্রচুর সময় বাঁচে। যখন বিরতিহীন অসংখ্য ভার্চ্যুয়াল মিটিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তখন নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কাজের ফাঁকে যদি সামান্য সময়ের বিরতি দেয়া যায়, তাহলে ব্রেনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সৃষ্টিশীলতাও বাড়ে। এমন গবেষণা চালিয়েছে মাইক্রোসফটের হিউম্যান ফ্যাক্টর ল্যাব। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি। এতে দেখা গেছে, যদি কোনো মানুষ বাসায় বসে কাজ করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি কোনো বিরতি না নেন, তাহলে তাতে এক সময় তার মাথা খিটমিটে হয়ে উঠতে পারে। মেজাজ বিগড়ে যেতে পারে।
দ্য হাস্টল নিউজ আউটলেটের সিনিয়র বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করেন স্টিফ স্মিথ। তিনি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে লিখেছেন, বাসা থেকে কাজ করতে ভালবাসেন। এ নিয়ে তিনি ব্লগও লিখেছেন। তিনি মাইক্রোসফটের গবেষণা থেকে যে ছবি টুইট করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, কাজের মাঝে অল্প সময়ের ব্রেক বা বিরতি দিলে ব্রেনের কাজ করার শক্তি বৃদ্ধি পায়। চারটি মিটিংয়ে অংশ নেয়া সক্রিয় কর্মীদের ব্রেনের কার্যকারিতা পরিমাপ করার জন্য এই গবেষণা করা হয়েছে। আবার তারা যখন অল্প সময়ের বিরতি নেন তখন ব্রেনের সক্রিয়তা কি পর্যায়ে এটা পরিমাপ করেন। পরে দুটি পরিমাপকে একটির সঙ্গে অন্যটি তুলনা করেন। এতে দেখা যায়, একের পর এক মিটিংয়ে ব্রেনে চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকে। তবে তারা যখন মধ্যবর্তী একটি বিরতিতে থাকেন তখন তাদের ব্রেনকে স্থিতিশীল দেখা গেছে। প্রচুর মানুষ এই গবেষণার সঙ্গে একমত পোষণ করে টুইটারে তাদের মতামত দিয়েছেন। স্মিথের পোস্টে ব্রায়ান্ট সুলেনট্রপ নামে একজন মন্তব্য লিখেছেন- হ্যাঁ, দয়া করে একের পর এক মিটিং বন্ধ করুন। আরেকজন আরেকটি অগ্রসর হয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। লিখেছেন, কর্মস্থলে জানালা খোলা রাখা উচিত লে, যাতে স্বল্প বিরতির সময়ে কর্মক্ষেত্রে রোদ প্রবেশ করে। মাইক্রোসফটের হিউম্যান ফ্যাক্টসর ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সিনিয়র পরিচালক মাইকেল বোহান বলেছেন, তাদের গবেষণা এটাই দেখাচ্ছে যে, কাজের মাঝে বিরতি দেয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, টানা কাজ করলে একজন মানুষের প্রাণশক্তি নিঃশেষ হতে থাকে। বিরতি দিলে তা উন্নত হয়। আবার পূর্ণ উদ্যমে কাজ করতে পারে। মাইক্রোসফট ৩৬৫ এর সিভিপি জারেড স্পাটারো বলেছেন, গত এক বছর ধরে একের পর এক মিটিং একটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। এটা স্থিতিশীল অবস্থা নয়।