কুতুপালং ক্যাম্পে দূবৃর্ত্তদের অপকর্মে অতিষ্ঠ সাধারণ রোহিঙ্গারা ; চিহ্নিত অপরাধীদের কঠোর হাতে দমনের দাবী

kotopalong.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : কুতুপালং ১নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সি-ব্লকের লম্বাশিয়া মরকজ পাহাড়ে আল-ইয়াকিনের ছত্রছায়ায়, মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ, অপহরণ ও মুক্তিপণ বাণিজ্য এবং আধিপত্য বিস্তারকারী সংঘবদ্ধ চক্রের নানা অপকর্মের কারণে সাধারণ রোহিঙ্গা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে চরম অসহায়ভাবে দিনযাপন করছে। এসব চিহ্নিত অপরাধীদের কঠোর হাতে দমনের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগীরা।

জানা যায়, মিয়ানমারের নাগাকুরা, সিকদার পাড়া, ফৈয়রা বাজার হতে এসে কুতুপালং লম্বাশিয়া মরকজ পাহাড় ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারী মোঃ আমিনের পুত্র ফরিদ উল্লাহ, শামসুল আলমের পুত্র ছবি আলম, মোঃ রবি, মোঃ আমিন, আশু আলীর পুত্র শওকত আলী, বাঁচা মিয়ার পুত্র মোঃ আব্দু হালিম, মোঃ নুরুল আলমের পুত্র মোঃ জানে আলম,মোঃ জবর মুল্লুকের পুত্র মাহমুদুর রহমান, মোঃ আমিনের পুত্র কেফায়ত উল্লাহ, কোরবান আলী, খুরশিদ আলম, হাবিব উল্লাহ, মোঃ শামসুল আলমের পুত্র মোঃ আলম, হাদুরা নুর মোহাম্মদের পুত্র নুর মোস্তফা, দিল মোহাম্মদ, ফৈয়রা বাজারের খাইরুল আমিন, ইব্রাহীম খলিলের পুত্র লালু, ডি-৪ এ বসবাসকারী মোঃ আইয়ুবের পুত্র আব্বু, মোঃ শুক্কুরের পুত্র জাম্বু, খলিল, সোনা আলীর পুত্র নুর আলম, কুতুপালং আম বাগানের ক্যাম্প-১ হতে ক্যাম্প-৩ পর্যন্ত বসবাসকারী যমদূতের আরেক নাম মোঃ শাবু আলমসহ ৪০/৫০জনের একটি সংঘবদ্ধ গ্রæপ।
তারা সকলে উগ্রপন্থী সংগঠন আল ইয়াকিনের সদস্য, চাঁদাবাজ, ইয়াবা কারবারী, সাধারণ রোহিঙ্গাকে অপহরণ করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মুক্তিপণ আদায়। যারা টাকা-পয়সা দিতে অপারগ তাদের ধরে নিয়ে বেঁধে নির্মম নির্যাতন চালায়। তারা মরকজ পাহাড়ে অনেক লোক খুন করেছে। গত বছর হ্নীলার দুই গাড়ি চালক নুরুল হুদা আর নুরুল বশর ভাড়া গিয়ে এই চক্রের খপ্পরে পড়ে। তারাই নোহা চালক নুরুল হুদাকে নির্মম নির্যাতন এবং জবাই করে খুন করে। নুরুল বশরকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে মধ্যযুগীয় কাযদায় নির্মম রক্তাক্ত করে মুমূর্ষাবস্থায় একটি পাহাড়ি এলাকায় ফেলে দেয়। পরে লোকজনের সহায়তায় সে ফিরে আসে।
এই চক্রই কৌশলে বালুখালী ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বসতি ধ্বংস করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্য্যক্রম ও বেপরোয়া আচরণ এবং ভোগান্তিতে নিরীহ সাধারণ রোহিঙ্গারা বসবাস করতে পারছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের অপকর্ম সমর্থন না করাই সাধারণ রোহিঙ্গারা চরম পীড়াদায়ক পরিবেশের মধ্যে রয়েছে। তাই কুতুপালং ক্যাম্প ভিত্তিক এসব অপরাধীদের কঠোর হাতে দমনের জন্য র‌্যাব, পুলিশ, এপিবিএনসহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ###