কক্সবাজারে প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতার মাঝেও ঘরে আটকে রাখা যাচ্ছে না মানুষকে

Snapshot_79.png

নুরুল করিম রাসেল :

কক্সবাজারে লকডাউন কার্যকর করতে পুলিশ ও প্রশাসনের চোখে পড়ার মতো তৎপরতা থাকলেও ঘরে আটকে রাখা যাচ্ছে না সাধারন মানুষকে। নানা অজুহাতে মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন। খেটে খাওয়া মানুষ বলছেন তাদের ঘরে খাবার নেই, পান নি কোন সহায়তা। তাই পেটের দায়ে তারা ঘর থেকে বের হচ্ছেন।

লকডাউনের শুরুতে সড়কে মানুষের আনাগোনা কম থাকলেও দিন যতই বাড়ছে মানুষের আনাগোনা ততই বেড়ে চলছে। কাঁচা বাজার গুলোতে মানুষের ভীড় লেগেই আছে। শুরুতে শহরে রিক্সা ও টমটম চলাচল কম থাকলেও ধীরে ধীরে বেড়েছে এসব যানবাহনের চলাচল।

শুরু থেকেই কক্সবাজারে সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকর ভাবে বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ। কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও বাজারে পুলিশী মনিটরিং বাড়ানো হয়েছে। এসব এলাকায় অহেতুক ঘোরাফেরা করা ব্যক্তিদের ঘরে ফেরানো ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণে চেকপোস্ট বসিয়েছে জেলা পুলিশ। পাশাপাশি লকডাউনে সরকারের বিধি-নিষেধ প্রতিপালনের আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ জনসচেতনতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর একাধিক টিম লকডাউন বাস্তবায়নে মাঠে কাজ করছে।

লকডাউনের ৫ম দিনেও পুলিশ সুপার সহ জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের বেশ কয়েকটি টীম শহরে টহল দিতে দেখা গেছে। এসময় জরুরী প্রয়োজন ছাড়া অথবা মুভমেন্ট পাস ছাড়া বের হওয়া মানুষকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া বের হওয়া যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

এছাড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমান টীম জেলা শহরের বিভিন্ন স্পটে অভিযান পরিচালনা ও নির্দেশনা যথাযত মানছে কিনা তা তদারকি করে যাচ্ছেন। যেখানে নির্দেশনা অমান্য হচ্ছে সেখানে অর্থদন্ড প্রদান করা হচ্ছে।বিকাল ৩টার পর কাঁচা বাজার গুলোতে অভিযান চালিয়েছে নির্বাহী ম্যাজিষ্টেটগন। এসময় র‌্যাব-পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

এদিকে খেটে খাওয়া মানুষ বলছে তাদের ঘরে খাবার নেই পাননি কোন সহায়তা তাই পেটের দায়ে তারা ঘর থেকে বের হয়েছেন।