নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-১

n.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী : নাইক্ষ্যংছড়িতে অভিযানে আবারও অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ এক মাদককারবারিকে আটক করেছে ১১ বিজিবি ।

বুধবার (৩১ মার্চ) ভোর রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ফুলতলী এলাকায় ১১ বিজিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার ৭৩০ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানান বুধবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি’র অধিনস্থ ফুলতলী বিওপি’র দক্ষিণ পাশ থেকে ক্যাপ্টেন খালেদ মাহমুদের নেতৃত্বে বিজিবি জোয়ানরা ইয়াবাসহ আমান উল্লাহকে আটক করতে সক্ষম হন।

আটককৃত ইয়াবা কারবারি নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ফুলতলী গ্রামের মৃত উলা মিয়ার পুত্র আমান উল্লাহ (৩০)।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ফুলতলীর পাশ্বর্বতী রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজির পাড়া গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে বেলাল উদ্দীন, মহলজ্জামানের ছেলে নুরুল আলম,এমদাত মিয়ার ছেলে নুরুল আমিন প্রকাশ বান্ডাইয়া, ডাক্টার কাটা গ্রামের আলী মদনের ছেলে শাহ আলম, সহ ১০ সদস্যের একটি শক্তিশালী সেন্ডিকেট এ মরণ নেশা ইয়াবা মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পাচার করে আসছে।

বিষয়টি বুধবার সন্ধ্যায় সত্যতা নিশ্চিত করেছেন
১১ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শাহ আব্দুল আজিজ আহমেদ বলেন, ১১ বিজিবির জোয়ানেরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলতলীর এলাকার ইয়াবা কারবারির সদস্য মো,আমান উল্লাহকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজারের মতো ইয়াবাসহ আটক করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ অস্ত্র, কাঠ,মাদকদ্রব্য পাচার, অন্যান্য যে কোন ধরনের অবৈধ পণ্য সামগ্রী পাচার এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে বিজিবি’র ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে।
বাকি সদস্যরা গা ঢাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বিজিবি’র এ অভিযানকে এলাকাবাসী সাধুবাদ জানান।

বিজিবি সূত্রে আরও জানা যায়, উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক আমান উল্লাহকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় হস্তান্তর করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, ২২ মার্চ সোমবার বিজিবির অভিযানের ২৪৫ পিচ ইয়াবাসহ দুই খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। যার মূল্য ৭৩,৫০০ টাকা এবং নগদ ৪,৮৬৫ টাকা। গত ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার ৯ হাজার ৭৮৫ পিচ ইয়াবাসহ আরেক ইয়াবাকারবারি নুরুল আলমকে আটক করা হয়।