চাঁদে সংরক্ষিত থাকবে ৬ লাখ ৭০ হাজার শুক্রাণু-ডিম্বাণু!

moon.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যারোস্পেস’র একটি কনফারেন্সে অবাক করার মতো একটি প্রস্তাবনা দিয়েছেন জেকান থাঙ্গা নামে একজন মেকানিকেল অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ার। তিনি চান, চাঁদে শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু সংরক্ষণ করবেন!

মূলত চাঁদ নিয়ে গবেষণা করেন থাঙ্গা ও তার দল। পৃথিবীতে প্রাকৃতিক সম্পদ কমে আসার আশঙ্কায় এই গ্রহের বাইরে মানুষের উপনিবেশ চাঁদ এবং মঙ্গলে স্থাপন করার কথা ভাবছেন তারা।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী জেকান থাঙ্গা ও তার দল ৬ লাখ ৭০ হাজার শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু সংগ্রহ করেছেন। প্রস্তাবনাটি অনুমোদন পেলেই সেগুলো চাঁদে পাঠানোর কাজ শুরু করবেন তিনি।

এ ব্যাপারে থাঙ্গা বলেন, আমার মূল উদ্দেশ্য, চাঁদে একটি জিন ব্যাংক তৈরি করা। যেখানে মানুষসহ পৃথিবীর ৬ লাখ ৭০ হাজার প্রাণীর শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু সঞ্চিত থাকবে। পৃথিবীর অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে, অনেক প্রাণী অবলুপ্তির দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। তাই যতটা সম্ভব চাঁদে মানুষের শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু সঞ্চয় করে রাখতে চাই। যাতে লোপ পেলেও কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতির সাহায্যে পৃথিবীতে তাদের আবার ফিরিয়ে আনা যায়।

তার দাবি, এই বিপুল পরিমাণ শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু সঞ্চয়ের জন্য চন্দ্রপৃষ্ঠের গহ্বরগুলো আদর্শ। সেগুলো মাটি থেকে ৮০-১০০ মিটার গভীর, ফলে সেখানে সুরক্ষিত থাকবে পৃথিবীর প্রাণের বীজ।