টেকনাফ উপজেলা আ.লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

al-1.jpg

শাহীন শাহ, টেকনাফ :
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ টেকনাফ উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সহ বিবিধ বিষয় নিয়ে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ মার্চ সকাল ১১ টায় টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাস্টার জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশরের পরিচালনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুল গণি, গোলাম সোবহান, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সেলিম, সিকদার, মাহবুব মোর্শেদ, মোস্তাক আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ উল্লাহ, এড. মঈনুল হোসেন চৌধুরী, এজাহার মিয়া, বন ও পরিবেশ সম্পাদক নুরুল আমিন নুরু, আইন বিষয়ক সম্পাদক মাস্টার মো. জাকারিয়া, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মীর কাশেম, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারেস কমিশনার, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক নজীর আহমদ সীমান্ত, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ডা.নুর মোহাম্মদ গণি, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মৌ. মো. আনোয়ার, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নবী হোসাইন, সদস্য জাহিদ হোসেন কালা, আহমদ হোসেন মেম্বার, আবুল হোসেন মেম্বার, হোছন আহমদ মেম্বার, জামাল হোসেন, মো. ইসলাম, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আলম, সাবরাং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুনর রশিদ সিকদার, সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলম, টেকনাফ সদরের খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, হ্নীলা ইউনিয়ন সভাপতি রাশেদ মাহমুদ আলী, সাধারণ সম্পাদক মো.জামাল, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সরওয়ার আলম, কৃষক লীগের সভাপতি আবুল হোসেন রাজু সহ উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মকর্তা, সদস্য ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা, তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রের নির্দেশনার আলোকে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করে মনোয়ন প্রত্যাশাদির নৌকা প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এরই প্রেক্ষিতে যিনি নৌকা পাবেন, তাকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরে তৃণমূলের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের স্ব স্ব রেজুলেশন উপজেলা আওয়ামী লীগ বরাবর জমা দান ও পর্যালোচনা করা হয়। সেই সাথে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ বরাবর পাঠানো, ৭ মার্চ স্ব স্ব ইউনিয়নে পালন ও ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন সহ বিবিধ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।