প্রকাশিত সংবাদে সাবরাংয়ের ফয়সালের প্রতিবাদ ও ব্যখ্যা

protibad.jpg

বার্তা পরিবেশক : গত ২৬ জানুয়ারী দৈনিক মেহেদী ও বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত “ টেকনাফে জমি ক্রয়ের অর্থ কেলেংকারী ও প্রতারনার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্ঠিগোছর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমার প্রতিপক্ষ যে, সব তথ্য-উপাত্ত দিয়েছেন তাতে সত্যের লেশমাত্র নেই। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছে। যাহা সম্পূর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলক। এ প্রসংগে আমার বক্তব্য হচ্ছে আমি একজন গবাদি পশু ব্যবসায়ী এবং আমার কাছ থেকে জমি ক্রয়ের উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষ আমাকে বারাংবার চাপ প্রয়োগ করে এবং এক পর্যায়ে ৩শত টাকার ননজুড়িশিয়াল ষ্টাম্পে জমি মূল্য ৫ লাখ টাকা সৃজন করে প্রতিপক্ষ জোর পূর্বক স্বাক্ষর নিতে চাইলে, আমি নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থল থেকে টেকনাফ সদর মহেশখালীয়া পাড়ায় চলে যায়। এ সময় ওরা আমার পেছনে ধাওয়া করতে চাইলে আমি বাই সাইকেলযোগে দীর্ঘ ২ কিঃ মিটার অতিক্রম করে আমার শাশুর বাড়ী যাওয়ার পথে নতুন পল্লান পাড়াস্থ সুফিয়া নুরানী মাদ্রাসায় পৌছালে প্রতিপক্ষের লোকেরা ব্যারিকেট দিয়ে আমার পকেটে থাকা গরু ব্যবসার ৫৮ হাজার ২৭০ টাকা, ১৫ হাজার টাকার মূল্যের মোবাইল সেট ও আমার ব্যবহৃত এফজেট ভার্সেন্ট নামক বাইসাইকেলের চাবিটি নিয়ে চলে যায়। ফলে আমি টেকনাফ থানায় এর প্রতিকার চেয়ে নিজে বাদী হয়ে পেন্ডাল পাড়ার মৃত রাজা মিয়ার পুত্র আবুল মজুর ও সাবরাং সিকদার পাড়ার মৃত জাহীর আহমদের পুত্র মোঃ কাদের ও ৬ জন অজ্ঞাত আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করি। পরে তদন্ত কর্মকর্তা এস,আই মিজানুর রহমান প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বাইসাইকেলের চাবিটি উদ্ধার করলেও টাকা গুলো এখনি উদ্ধার হয়নি। টাকা উদ্ধার এবং থানায় অভিযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষের বর্নিত অভিযুক্তরা আমাকে বারাংবার প্রাননাশের হুমকি দিয়ে আসছে। উল্লেখ্য আমার বিরুদ্ধে থানায় প্রদত্ত অভিযোগকারীর সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক নেই। ওরা আমার ব্যবসার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতে হয়রানী করছে। অতএব আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এমনকি ফরিদের জামায় মোঃ মনজুর আমাকে ঐ দিন সালিশী বৈঠকে পুলিশের সামনে প্রাণনাশের হুমকি ও ধমকি দিয়ে চলে যায়।

প্রতিবাদকারী :
মোঃ ফায়সাল
পিতা-মৃত মোহাম্মদ সোলাইমান
সাবরাং,২নং ওয়ার্ড।