উখিয়ায় গাছে গাছে আমের মুকুল

mango.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : উখিয়া উপজেলা আমের জন্য বিখ্যাত না হলেও এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবার বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে আসছে। বর্তমানে আমগাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই মুকুল। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত ঘ্রাণ। বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ধরেছে।

গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও কয়েক সপ্তাহ লাগবে বলে জানান আমবাগান মালিক ছৈয়দ আলম। প্রত্যন্ত জনপদ লম্বাঘোনা গ্রামের দুই একর পাহাড়ি জমিতে পাঁচ বছর আগে দুই শতাধিক আমগাছ লাগানোর কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, তার বাগানের গাছে যেভাবে মুকুল পড়েছে তাতে আম ধরলে গাছ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য দিনরাত বাগানে পরিশ্রম করছেন যেন পরিবেশগত কারণে আমের মুকুল ঝরে না যায়।

দোছরী গ্রামের বাগানমালিক নজু মিয়া ও ফজল করিম জানান, সপ্তাহখানেক আগে থেকে তাদের বাগানের আমগাছে মুকুল আসা শুরু করেছে। বর্তমানে পুরো বাগান মুকুলে ছেয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রসেনজিত্ তালুকদার বলেন, উখিয়ায় ২২০ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। আম বাগানগুলো পরিদর্শন করে চাষিদের আম চাষের পাশাপাশি কমলা, মাল্টা ও লেবু চাষে উদ্বুদ্ধ করা হবে এবং প্রয়োজনীয় চাহিদামোতাবেক সহযোগিতা করার কথা জানান তিনি।