জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে গৃহিত কার্যক্রমকে আরো বেশি বেগবান করবে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ

20201202_111306-scaled.jpg

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার(নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০০৫ এবং সংশোধিত ২০১৩ অনুসারে পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিহনে ধূমপান নিষিদ্ধ।করোনা কালিন সময়ে পরোক্ষ ধূমপান একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। পবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহন তামাকমুক্ত রাখতে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের তামাক নিয়ন্ত্রণে কার্যরত একটি প্রতিনিধিদল আজকে ০২ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখ ঢাকা দক্ষিণ সিটিকর্পোরেশন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডাঃ শরিফ আহমেদ এর সাথে নগর ভবন কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন।

তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক আলোচনা কালে ঢাকা দক্ষিণ সিটিকর্পোরেশন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডাঃ শরিফ আহমেদ বলেন, পূর্বে ও সম্প্রতি নগর ভবনসহ ডিএসসিসির আওতাভুক্ত সকল প্রতিষ্ঠান তামাকমুক্ত রাখার নির্দেশনা পত্র প্রদান করা হয়েছে। তাই করোনাকালিন সময়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষে গ্রহনের জন্য যথাশিঘ্রই একাধিক নির্দেশনা প্রদান করা হবে। আইনের সংশোধন সর্ম্পকে তিনি বলেন পাবলিক প্লেসকে শতভাগ তামাকমুক্ত রাখতে হলে আইন থেকে ধূমপান করার স্থান সংক্রান্ত প্রবিশনটি বাদ দেয়া প্রয়োজন।

তিনি আরোও বলেন, পাবলিক প্লেস সমূহের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিকর্পোরেশনের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠারসমূহ গুরত্বপূর্ন পাবলিক প্লেস যেমন: কমিউনিটি সেন্টার, কমিউনিটি হাসপাতাল,আঞ্চলিক দপ্তর সমূহ উল্লেখযোগ্য। এসকল পাবলিক প্লেসে হাজারো মানুষের আগমন ঘটে।তাই এসকল প্রতিষ্ঠান তামাকমুক্ত রাখতে হবে জনস্বাস্থ্য রক্ষায়। কমিউনিটি সেন্টার সিটিকর্পোরেশনরে একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান যেখানে বহু সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠান হয় এবং হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে তাই এসকল প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত অনুষ্ঠানে তামাক ব্যবহারের উপর যদি নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যায় তাহলে তামাক ব্যবহারের প্রবনতা অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব হবে।এবং এর পাশাপাশি আইনের শতভাগ বাস্তবায়ন ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সকল প্রতিষ্ঠানে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ধূমপানমুক্ত সাইন স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। তিনি আরও বলেন যে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের জন্য ডিএসসিসি যে ১০ লক্ষ টাকা অর্থ বরাদ্ধ রেখেছে তার বাস্তায়নেও যাথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।