কক্সবাজারগামী বাসে যাত্রীবেশে দূর্ধর্ষ ডাকাতি : গুলিবিদ্ধসহ আহত-১৭

127112667_124800595919822_5435399550986819595_n.jpg

খাঁন মাহমুদ আইউব : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যাত্রীবেশে বাসে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংগঠিত করেছে ডাকাতদল। এসময় মালামাল লুটে বাধা দেয়ায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এছাড়া অন্তত আরো ১৫ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যাওয়া সৌদিয়া পরিবহনের নৈশকালীন বাসটি আজ শুক্রবার ভোররাত ৩টার দিকে চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী পাহাড়ী ঢালা এলাকায় পৌঁছলে অস্ত্র উচিয়ে বাসটিতে ডাকাতি শুরু করে বাসটিতে আগে থেকে থাকা যাত্রীবেশী ডাকাতরা।

বাসের যাত্রীরা জানান, বাসটি মহাসড়কের চকরিয়া ফাঁসিয়াখালী পাহাড়ি ঢালা এলাকায় পৌঁছলে ডাকাতদল চলন্ত বাসটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এসময় চালককে বেধে ডাকাতদের একজন বাসটি চালিয়ে নিয়ে যায়। চলন্ত অবস্থায় তারা ডাকাতি সংগঠিত করে ইদগাহ এলাকায় নেমে যায়। সংঘবদ্ধ সশস্ত্র ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ওই বাসের যাত্রীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, মোবাইল ও নারী যাত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করে।

এ সময় লুটে বাধা দিতে গেলে হাতাহাতি একপর্যায়ে ডাকাতের গুলিতে দুইজন গুলি বিদ্ধ এবং মারধরে আরো অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হয়েছেন।

তন্মধ্যে গুলিবিদ্ধ দুইজনকে মুমূর্ষ অবস্থায় প্রথমে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল হয়ে দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তী করা হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন কক্সবাজারের টেকনাফ সাবরাং এলাকার এজাহার আহমদের পুত্র আবদুল্লাহ আল মামুন (৩০)। একটি গুলি সরাসরি তার পেটে বিদ্ধ হয়।
হাতে গুলিবিদ্ধ হয় রাকিব উদ্দিন (৩০) নামের আরেক যাত্রীর। অপরদিকে মারধরে আহত অন্য যাত্রীদের পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।

বাসটিতে সাতজন ডাকাত ছাড়া ৩৭ জন যাত্রী ছিলেন। এসব যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন কেউ ব্যবসায়ী, আবার কেউ পর্যটক এবং চাকরিজীবী।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শাকের মোহাম্মদ জোবায়ের জানান, এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন নামে বাসের এক যাাত্রী মামলা দায়ের করেছেন ।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাসের চালক ও হেলপারসহ ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।