চকরিয়া হাসপাতালে সংকটাপন্ন রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিতে ২৫শয্যার সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট চালু

Chakaria-Picture-06-09-2020-UNO.jpg

এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে বৈশি^ক মহামারি করোনা রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে অবশেষে যুক্ত হয়েছে ২টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা এবং ২৫ শয্যা বিশিষ্ট সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা আইসোলেশন ইউনিট ফান্ড চকরিয়া কর্তৃক সংগৃহীত অনুদানের অর্থবরাদ্দ থেকে এসব চিকিৎসা সামগ্রী হস্তান্তর এবং ও ২৫ শয্যার করোনা আইসোলেশন ইউনিট বর্ধিতকরণে সক্ষমতা বাড়ানোর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন কর্মসুচির সফল উদ্যোক্তা চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সৈয়দ শামসুল তাবরীজ এর সফল উদ্যোগে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেয়া অনুদানে চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে আগত করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে এসব চিকিৎসা সামগ্রী সংযুক্ত করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চকরিয়া উপজেলা সরকারি হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদুল হকের হাতে এসব চিকিৎসা সামগ্রী হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ।
চিকিৎসা সামগ্রীর মধ্যে দু’টি হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা ও পাঁচটি অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালের ২০ শয্যা বিশিষ্ট সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট সম্পন্ন করা হয়।
জানতে চাইলে সফল এ কর্মসুচির উদ্যোক্তা চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, করোনাকালীন সময়ে চকরিয়া উপজেলায় যোগদান করে দেখতে পাই সারাদেশের মতো এখানেও চিকিৎসাসেবায় নানা ধরণের সংকট চলছে। বিশেষ করে হাসপাতালে আগত করোনা রোগীরা চিকিৎসা সামগ্রী বা অক্সিজেন সংকটে পড়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে উদ্যোগ নিই বৈশি^ক মহামারি করোনা রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা স্থাপন এবং হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট চালু করণে।
তিনি বলেন, আমার সফল এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, অনেক জনপ্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দানশীল অনেকে এগিয়ে আসেন। সবার সহযোগিতায় আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা আইসোলেশন ইউনিট ফান্ড গঠন করি। মুলত করোনা আইসোলেশন ইউনিট ফান্ড চকরিয়া কর্তৃক সংগৃহীত অনুদানের অর্থবরাদ্দ থেকে এসব চিকিৎসা সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়েছে। আশার কথা হলো আমরা চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে ২৫ শয্যার করোনা আইসোলেশন ইউনিট বর্ধিতকরণে সক্ষমতা বাড়ানোর কার্যক্রম চালু করতে পেরেছি।
করোনা রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে এই হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা ও সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট অতি সংকটাপন্ন রোগীর চিকিৎসায় কার্যকর ভুমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ শামসুল তাবরীজ।#