কোনাখালীতে প্রতিপক্ষের হামলা ; ৩জনকে কুপিয়ে জখম

Chakaria-Picture-31-07-2020.jpg

এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নে চাষের জমি জবরদখলের বাঁধা দুর করতে ইউপি মেম্বারের নির্দেশে ডেকে নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতিসহ তাঁর পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম করেছে। শুক্রবার ৩১ জুলাই সকালে কোনাখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের খাতুরবাপের পাড়া এলাকায় ঘটেছে এ হামলার ঘটনা। আহত তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলায় আহতরা হলেন কোনাখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের খাতুরবাপের পাড়া এলাকার মৃত ছৈয়দ নুরের ছেলে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আবছার (৫৫), তার ভাই ফরিদুল আলম (৪৫) এবং ছেলে মিল্লাত (২০)।
আহত আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আবছার বলেন, তার স্ত্রী নাহারু বেগম পৈত্রিক সুত্রে ভাগবন্টন মতে বেশ কিছু জমি পেয়েছেন। উল্লেখিত জমিতে তাঁর পরিবার চাষাবাদ করে বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন। কিন্তু শ্যালক বাদশা মিয়া দুর্লোভের বশবর্তী হয়ে সম্প্রতি সময়ে জোরপুর্বক বোন নাহারু বেগমের অংশের জমি জবরদখলের জন্য অপচেষ্ঠা শুরু করে।
সর্বশেষ শুক্রবার উল্লেখিত জমিতে নাহারু বেগমের পরিবার শ্রমিক দিয়ে ধান রোপন করছিলেন। ওইসময় বাদশা মিয়ার পক্ষহয়ে স্থানীয় ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মঈন উদ্দিন লোক পাঠিয়ে বিচারের নামে আমাদেরকে ঢেকে পাঠান।
আহত নুরুল আবছার অভিযোগ করেছেন, মেম্বারের নির্দেশে আমি এবং আমার ভাই ও ছেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র প্রতিপক্ষের ১০-১২জনের একটিদল আমাদের উপর বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এসময় তাঁরা ধারালো অস্ত্রে শরীরের বিভিন্ন অংশে কুপিয়ে আমাদেরকে জখম করে। ঘটনার পরপর আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করে আমাদের মধ্যে দুইজনকে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে ও একজনকে পেকুয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
আওয়ামীলীগ সভাপতি নুরুল আবছার অভিযোগ করে বলেন, ইউপি মেম্বার মঈন উদ্দিন মুলত আমার স্ত্রীর অংশের জমি অবৈধভাবে দখলে নিতে ঢেকে নিয়ে হামলার ঘটনাটি সংগঠিত করেছে। ঘটনার পরপর আমি বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। এব্যাপারে আমি থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদার। তিনি বলেন, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে কোনাখালী ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল আবছার মোবাইলে তাঁর পরিবারের উপর হামলার ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমি আগে তাদেরকে চিকিৎসা নিতে বলেছি। পরে কী কারণে ঘটনাটি ঘটেছে সেই ব্যাপারে দুইপক্ষ রাজী থাকলে বৈঠক হবে। পরবর্তীতে বিষয়টি সমাধাণের উদ্যোগ নেয়া হবে। ##