নয়াবাজারে মুখোশের আড়ালে ইয়াবা কারবার ; চালান বহনকারীদের নিয়ে লংকাকান্ড হলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে গডফাদার!

Anowar-Kamal-1-scaled.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : হোয়াইক্যং নয়াবাজারে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা আর কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের নেতা পরিচয়ে মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছে এক ব্যক্তি। তার মাদকের চালান বহনকারীরা আটক হলেও সে বহাল তবিয়্যতে থাকায় জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, টেকনাফের হোয়াইক্যং নয়াবাজারের মৃত আবু শামার পুত্র, ক্ষমতাসীন দলের ছত্র-ছায়া এবং ৭নং ওয়ার্ড শাখার কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সদস্য দাবীদার আনোয়ার কামাল দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে মাদক কারবার চালিয়ে আসছে। তার মাদকের চালান বহন কাজে ব্যবহৃত নয়াবাজারের কালা মিয়ার স্ত্রী খালেদা বেগম প্রকাশ বুইজ্জানী, কালা মিয়ার ছেলে খোরশেদ আলম প্রকাশ সোনা মিয়া, মোহাম্মদ মান্নান, বাগুইল্যাসহ অনেকে। তাদের মধ্যে অনেকে মাদকের চালান বহন করতে গিয়েই কারাভোগ এবং ফেরারী হিসেবে রয়েছে। গত সপ্তাহ খানেক আগে এই আনোয়ার কামালের ৩হাজার পিস ইয়াবার চালান বহন করতে গিয়েই বা¹ুইল্যা চট্টগ্রাম শহরে ছিনতাইকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে চালান খোয়ানোর পর উল্টো ৩০হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসে। পরে এই ইয়াবার মালিক আনোয়ার খোরশেদের মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করে বাগ্গুইল্যা চালান আত্নসাত করেছে সন্দেহে করে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। যা নিতে গত কয়েকদিন পূর্বে লেদায় অপহরণ এবং মারধরের ঘটনা ঘটে। এই মুখোশধারী মাদক কারবারীর স্থানীয়দের পাশাপাশি রোহিঙ্গা মাদক বহনকারীও রয়েছে বলে জানান। স্থানীয় একাধিক সুত্র আনোয়ার কামালের মাদক সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার ব্যক্তিগত জীবনে মৎস্যঘেঁরের মালিক পরিচয় বহন করলেও অর্জিত সম্পদের হিসেব তদারক করলেই থলের বেড়াল বেরিয়ে আসতে পারে। যা চলমান মাদক বিরোধী অভিযানের মধ্যেও এই ধরনের ঘটনা সুশীল সমাজে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত আনোয়ারের নিকট জানতে চাইলে বলেন, আমি কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সদস্য। আমি এসব অপরাধ দমনে কাজ করি। আমি এই কাজে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসেনা।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ হোছন বলেন, কথিত আনোয়ার কামাল কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সদস্য নন। সে একজন চিহ্নিত মাদক কারবারী। তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, মাদক কারবারীরা যতই মুখোশের আড়ালে থাকুক না কেন ; কাউকে পার পেতে দেওয়া হবেনা। দ্রæতই আইনের আওতায় আনা হবে। ###