উখিয়ার ছোয়ান খালীতে নতুন বিদ্যুৎ লাইন চালু হলেও অন্ধকারে গ্রামবাসী

current.png

ফারুক আহমদ : উখিয়া উপজেলার সমুদ্র উপকূলীয় ছোয়ান খালি গ্রামে নতুন বিদ্যুৎ লাইন চালু হলেও এখনো অন্ধকারে রয়েছেন এলাকাবাসী।
অতিরিক্ত ঘুষের টাকা দাবি ও মিটারের সার্ভিস তার নাই এমন কুড়া অজুহাতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বাড়িতে বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে গড়িমসি শুরু করছে এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। জানা যায়, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এ কর্মসূচির আওতায় ২০১৯ সালে উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে নতুন বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণ কাজ শুরু হয়।
ছোয়ান খালী গ্রামের বাসিন্দা আহমদ হোছন কলিমুল্লাহ ও মনজুর আলম জানান, স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও বিদ্যুতের আলো দেখিনি এলাকার মানুষ। স্থানীয়দের দাবির পরিপেক্ষিতে বর্তমান সরকার নতুন বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণের কাজ শুরু করলে এলাকার মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়ায়। তারা আরও বলেন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ লাইন চালু করতে প্রতিটি বাড়ির অসংখ্য সুপারি নারিকেল গাছ সহ বিপুল পরিমাণ ফলজ গাছ কর্তন করা হয়েছে।
একই এলাকার আইয়ুব আলী নুরুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন বিদ্যুৎ লাইনের সম্প্রসারণ কাজ শেষ হতে না হতে উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যথারীতি নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে মিটার সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে না।
এলাকাবাসী জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে প্রতি বাড়ি থেকে ১ থেকে ২ হাজার টাকা করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করছে ঠিকাদারের লোকজন।
খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সাথে যোগাযোগ করলে কতৃপক্ষ ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ কথা বলে। আবার ঠিকাদারের সাথে যোগাযোগ করলে একই কায়দায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সাথে কথা বলতে বলে। গ্রামবাসীকে এভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে দুটি সংস্থা।
ছোয়ানখালী গ্রামের নজির আহমদ ও সুরত আলম অভিযোগ করে বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও টিকাদারের রশি টানাটানি কারণে বর্তমানে অর্ধশতাধিক পরিবার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সরওয়ারে আলম এর সাথে কথা বলার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইলে সংযোগ না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে জেনারেল ম্যানেজার সহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট বিষয়টি সুরাহা করার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
##