হ্নীলায় বন্দুক যুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা নিহত ; কমিশনভোগীদের কারণে মাদক চোরাচালান থামছেনা!

Teknaf-Pic-A-06-07-20-scaled.jpg

হুমায়ূন রশিদ : হ্নীলার হোয়াব্রাং পয়েন্টে মাদকের চালান নিয়ে অনুপ্রবেশকালে সীমান্ত রক্ষী বিজিবি জওয়ানদের সাথে বন্দুক যুদ্ধে বালুখালী ও কুতপালং ক্যাম্পের দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হয়েছে। এসময় বিজিবির আরো দুই জওয়ান আহত হয়েছে।

সুত্র জানায়, ৬জুলাই (সোমবার) রাতের প্রথম প্রহরের দিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের হ্নীলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল হোয়াব্রাং সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মাদকের চালান খালাসের সংবাদ পেয়ে অভিযানে যায়। কিছুক্ষণ পর ৩/৪ জন লোক বস্তা নিয়ে নাফনদী থেকে কিনারায় আসতে দেখে বিজিবি জওয়ানেরা চ্যালেঞ্জ করলে মাদক কারবারী গ্রæপের সদস্যরা বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে ল্যান্স নায়েক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং নায়েক শাকের উদ্দিন আহত হলে বিজিবি জওয়ানেরাও আত্নরক্ষার্থে কিছুক্ষণ পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। এতে মাদক কারবারীদের কয়েকজন গুলি ছুঁড়তে ছঁড়তে কেওড়া বাগান হয়ে পালিয়ে যায়।

এরপর পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশী করিয়া ৫০হাজার ইয়াবা, ১টি চায়না পিস্তল ও তাঁজা ২ রাউন্ড কার্তুজসহ উখিয়া উপজেলার কুতপালং ৫নং ক্যাম্পের ব্লক-জি-২/ই এর শেড নং-৪৫১২৮৪ এর বাসিন্দা মোঃ শফির পুত্র মোঃ আলম (২৬) এবং ২নং বালুখালী ১৮নং ক্যাম্পের ব্লক নং- কে/৩ এর বাসিন্দা মোঃ এরশাদ আলীর পুত্র মোঃ ইয়াছিন (২৪) কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে। আহত বিজিবি এবং গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারীদের দ্রæত চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত সবাইকে চিকিৎসা দেওয়ার পর গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারীদেও আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়। তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারার পৃথক আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) নিশ্চিত করেন।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে মুখোশের আড়ালে কমিশনভোগী চক্র তৎপর থাকায় সরকারের শত চেষ্টার মধ্যেও মাদক চোরাচালান থামানো যাচ্ছেনা। তাই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকা এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে। ##