টেকনাফে শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে জনসমাগম করে ত্রাণ বিতরণ

bahar.jpg

আজিজ উল্লাহ:টেকনাফ বাহারছড়া শামলাপুর ২৩ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেবারত কয়েকটি বেসরকারি এনজিও সংস্থা সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জনসমাগম করে বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহ করে গণজমায়েত করে যাচ্ছে।ফলে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি।

গতকাল বুধবার (২৫ মার্চ) শামলাপুর রোহিঙ্গা শিবিরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।এদিকে করোনা আক্রান্ত বিভিন্ন দেশের সংস্থা রোহিঙ্গা ক্যাম্প গুলো কাজ করে আসছে। করোনা মোকাবেলায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে নেই কোন সচেতনতা অথচ রোহিঙ্গা শিবিরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বড় ঝুঁকি রয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে বলা হলেও কার্যত কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এখনো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কতিপয় এনজিও।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে সারা পৃথিবীতে থমথমে অবস্থা বিরাজমান করছে এর মধ্যে আক্রান্ত দেশ গুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ।নকডাউন করে দেওয়া হয়েছে প্রায় শহরসহ পুরা দেশ।বাংলাদেশ সরকারও সামাজিক জনসমাগম এড়িয়ে চলতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করছে নাগরিকদের বহির্বিশ্ব হিমশিম খাচ্ছে করোনা মোকাবেলায়,প্রতিদিন লাশের মিছিলে যোগ হচ্ছে আরো মানব।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) লিয়াকত আলী জানান,এখনো অনেক এনজিও সংস্থা সরকারি নিয়মনীতি না মেনে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ফলে রোহিঙ্গাসহ স্থানীয়রা করোনা ভাইরাসের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে।