করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নাইক্ষ্যংছড়িতে জীবাণুনাশক স্প্রে নিয়ে মাঠে নেমেছে স্বেচ্ছাসেবী যুবকেরা

n-3.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী : বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়ানো করোনা ভাইরাসের এখনো কোনো প্রতিষেধক তৈরি হয়নি। এ ভাইরাসের নেই সঠিক কোনো চিকিৎসা। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে তাই সচেতনতা সৃষ্টিতে জোর দেয়া হচ্ছে বেশি। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি করে সংক্রমণ রুখে দেয়ার প্রচেষ্টা চলছে নাইক্ষ্যংছড়িতে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর বেলায় উপজেলা মিলানায়তনে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বান্দরবান জেলা পরিষদের উদ্যোগে সচেতনতামূলক ও জীবাণুনাশক স্প্রে মিশিন চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদেরকে।
পরে বিকেল সাড়ে ৪টায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা ভাইরাস মোকাবিলার উদ্যোগ গ্রহণ করে জিবাণুনাশক স্প্রে ছিটানো উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যম্যান অধ্যাপক মো,শফি উল্লাহ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটানোর পাশাপাশি প্রতিটি কার্যালয়ে স্প্রে করা হচ্ছে জীবাণুনাশক।

এছাড়া সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, সচেতনতামূলক মাইকিংয়ের পাশাপাশি সড়কে চলা যানবাহন ও পথচারীদের জীবাণুমুক্ত করতে জীবাণুনাশক স্প্রে ছিটাচ্ছে এ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা।
এতে অভিযানে নেতৃত্ব দেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য ক্যানু ওয়ান চাক্,সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি তসলিম ইকবাল চৌধুরী ও আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মো,ইমরান মেম্বার। এ অভিযানে স্বেচ্ছায় অংশ নেন এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

এসময় সাবেক চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী বলেন, পাবর্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি ও বান্দরবান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা মার্মা এর সাধ্যমত করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে মোকাবেলা করার লক্ষে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জিবাণুনাশক ঔষধ ছিটানোর স্প্রেসহ যে আনোসাঙ্গিক উপকরণ পাঠিছে তাতে কিছুটা হলেও এ র্দূসময়ের কোভিট-১৯ সংক্রামণ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের মোকাবেলা করা সম্ভব বলে মনে করছি। এই স্প্রে মেশিন গুলো আমাদের পাহড়ের বসবাসরত অসহায় মানুষের জন্য অনেক কিছু। তাই এলাকাবাসীর পক্ষথেকে সাংসদ সদস্য বীর বাহাদুর এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।