অবশেষে কক্সবাজারের প্রথম করোনা রোগী সেই মুসলিমা খাতুনের জামাতার এখন লকডাউনে

91312130_263899217943991_7096302626110701568_n.jpg

শামীম ইকবাল চৌধুরী : কক্সবাজারের প্রথম করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী মুসলিমা খাতুনে জামাতার বাড়ী লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন।
জানাযায়,মুসলিমা খাতুনের মেয়ের জামাই মাষ্টার মাওলানা নুরুল হক। তিনি রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রিকাটা গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর পুত্র।
মুসলিমা খাতুন গত ১৩ মার্চ ওমরা পালন করে সৌদি আরব থেকে দেশে এসেছেন।
তাকে বিমান বন্দরে আনতে যান মাষ্টার মাওলানার বড় ছেলে।
এসময় মুসলিমা খাতুনের গায়ে জ্বর নিয়ে এসেছিলেন সৌদি আরব থেকে। তবে সেই জ্বরকে পাত্তা দেয়নি পরিবারে ছেলে মেয়েরা।
পরে বেশী অশান্তিবোধ করাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময় সৌদি আরব থেকে এসেছেন সেই তথ্য গোপন করেন তারা। ওই করোনা সনাক্তকারী মুসলিমা খাতুনকে মেয়ের জামাইসহ মেয়ে,নাতিনাতনি সার্বোক্ষণিক সেবা যত্নে ব্যস্ত ছিলো হাসপাতালে।
সে তথ্যগুলো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকার মানুষ আতঙ্কে পড়ে যায়। এময় জামাতা মাষ্টার মাওলানা নুরুল হক গোপনে গাঁ ঢাকা দিতে চেষ্টা করে। তবে গোয়েন্দার নজরধারীতে আটকে পড়ে ঘরে থাকতে হয়েছে।
আর এদিকে,
বুধবার ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রনয় চাকমার নির্দেশে গর্জনিয়া পুলিশ ফাড়িঁর আইসি মোঃ আনিছুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বাড়িটিতে লাল পতাকার চিহ্ন প্রদর্শন করে লকডাউন করে দেন।
এই বিষয়ে প্রশাসন জানান,
সাধারণ মানুষ যাতে ওই বাড়িটিতে আসা যাওয়া বন্ধ রাখার জন্য লকডাউন ঘোষণা দিয়ে লাল পতাকা চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে। এই ঘরের সব সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টেইনে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য,
কক্সবাজারে প্রথম যে নারী করোনা ভাইরাস সনাক্ত নারীর বাড়ি চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী।।
তার নাম মুসলিমা খাতুন(৭৫)। সে রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ফাক্রির কাটা এলাকার মৃত ওয়াহেদ আলীর পুত্র মাষ্টার মাওলানা নুরুল হকের শ্বাশুড়ি।