(ফলোআপ) :- বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের ; আটক ৮ দালালকে আদালতে প্রেরণ

Teknaf-Pic-B-12-02-20-scaled.jpg

হুমায়ূন রশিদ : বঙ্গোপসাগরের টেকনাফ উপকূল পয়েন্ট দিয়ে দালালদের প্ররোচনায় চোরাই পথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিতে গিয়েই দূঘর্টনার কবলে পড়ে নিহত এবং জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় কোস্টগার্ড বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে পৃথকভাবে ট্রলার এবং এলাকা হতে আটক মানব পাচারকারী দালালদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, ১২ফেব্রæয়ারী সকালে টেকনাফ বিসিজি ষ্টেশন কোস্টগার্ড কন্টিজেন্ট কমান্ডার এসএম ইসলাম বাদী হয়ে ১৫জন মৃতদেহ এবং পৃথকভাবে জীবিত ৭৩জন উদ্ধারের ঘটনায় বাহারছড়া নোয়াখালী পাড়ার হাসান আলীর পুত্র ছৈয়দ আলম (২৭) কে প্রধান আসামী করে ১৯জনকে এজাহার নামীয় আসামী এবং ৬/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে উদ্ধারস্থল হতে আটক মানব পাচারকারী দালাল কুতুপালং ক্যাম্প সি-৩ এর বাসিন্দা আব্দুস সালামের পুত্র আজিজ (৩০), বালুখালী বি-৩ ক্যাম্পের বাসিন্দা কবির হোসেনের পুত্র ওসমান (১৭), নোয়াখালী পাড়ার হাসান আলীর পুত্র ছৈয়দ আলম (২৭) এবং ফয়েজ আহমদের পুত্র সাইফুলকে আটক করে। এছাড়া বিশেষ অভিযানে আটক নোয়াখালী পাড়ার মাঝি ফয়েজ আহমদ (৪৮), হুমায়ুন কবির (২০),মোহাম্মদ করিম (৪৯),জুম্মা পাড়ার সাদ্দাম হোসেন (২০) ও মোহাম্মদ রফিক (২৬) কে এই মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

টেকনাফ বিসিজি ষ্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোঃ সোহেল রানা সংবাদ কর্মীদের জানান, ১২ ফেব্রæয়ারী বিকাল পর্যন্ত মুমূর্ষুাবস্থায় মোঃ আব্দুল্লাহ নামে এক যুবকসহ বঙ্গোপসাগরে জল ও আকাশ পথে অভিযানে মৃত ১৫ জন এবং জীবিত ৭৩ জন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাস সংবাদকর্মীদের জানান, মালয়েশিয়াগামী ট্রলার ডুবিতে প্রাণহানি এবং জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় কোস্টগার্ডের দায়েরকৃত মামলায় পৃথকভাবে আটক ৮জন দালালকে কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই মামলায় অপর আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

এদিকে ট্রলার ডুবিতে এখনো নিখোঁজ অর্ধশতাধিক যাত্রীকে জীবিত বা মৃত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও মানব পাচারকারীদের আশ্রয়দাতা প্রভাবশালীদের কর্মকান্ড নিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ##