হ্নীলায় রোহিঙ্গা ছৈয়দ হোছন পরিবারের চালান বহন করতে গিয়ে ২জন আটক হলেও ইয়াবা কান্ড থামছেনা!

r-scaled.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : হ্নীলা উলুচামরী এলাকায় এক রোহিঙ্গা পরিবার দীর্ঘদিন আগে অবস্থান নিয়ে স্থানীয় হওয়ার পর স্বপরিবারে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা চোরাচালান। ইয়াবার চালান বহন করতে গিয়েই এই পরিবারের ২জন কারাগারে থাকলেও তাবলীগ জামাতের কর্মী পরিচয়ী বার্মাইয়া ছৈয়দ হোছাইনের ছলছাতুরীর শেষ নেই। ছদ্মবেশে থাকা রোহিঙ্গা ইয়াবা পরিবারকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৮০ সালের দিকে বার্মাইয়া ছৈয়দ হোছন হ্নীলা উলুচামরী এলাকার প্রাইমারী স্কুলের উত্তর পশ্চিম পাশে একটি কুঁড়ে ঘর করে বসবাস শুরু করে। দীর্ঘদিন যাবত বসবাস এবং ভোটের রাজনীতির কারণে স্থানীয় প্রতিনিধিকে ম্যানেজ করে বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে ভোটার তালিকাভূক্ত হয়। এই সীমান্তে ইয়াবা কারবার চালু হওয়ার পর ওপারে পুরাতন আত্নীয় থাকার সুবাদে সর্বনাশা মাদক ব্যবসায় জড়িত হয় পুরো পরিবার। এই মাদকের চালান বহন করতে গিয়েই ইয়াবাসহ ছৈয়দ হোছনের পুত্র সিএনজি চালক জুহুর আলম কারাগারে রয়েছে।
গত ২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১১টারদিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের রেজুখাল বিজিবি চেকপোস্টে দায়িত্বরত জওয়ানেরা যাত্রীবাহী সিএনজি তল্লাশী করে অভিনব কায়দায় পাচারের সময় হ্নীলা উলুচামরীর নুর মোহাম্মদের পুত্র রুবেল (১৯) কে আটক করেছে। ছৈয়দ হোছনের অপর ছেলে রবিউল আলম চট্টগ্রামে অবস্থান করে রাজমিস্ত্রীর আড়ালে ইয়াবা কারবার চালিয়ে আসছে। আটক রুবেল প্রায় সময় রবিউলের মাদকের চালান বহন করে পৌঁছে দিত বলে এলাকায় জনশ্রæতি রয়েছে। উক্ত রবিউল আলম এই কারবারকে আরো সুসংহত করতে গত ৩দিন আগে লেদার এক মেয়েকে বিয়ে করে।
উক্ত বিষয়ে ধৃত রুবেলের নানা ছৈয়দ হোছন জানান,তার পরিবারের কেউ এই কাজে জড়িত নয়। স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী টাকার লোভে ফেলে গরীব জনসাধারণকে ইয়াবার চালান বহনে বাধ্য করছে। তিনি আরো জানান, রুবেল আটক হওয়া মাদকের চালান জনৈক ইব্রাহীমের মাদকের চালান বহন করছিল বলে দাবী করেন।
এদিকে সরকারের মাদক বিরোধী অভিযানের মধ্যেও এই রোহিঙ্গা পরিবারের অপকর্ম বন্ধ না হওয়ায় জনমনে চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ##