হোয়াইক্যংয়ে মহিষ আনতে গিয়েই পাহাড়ি দস্যুদের হাতে চাচা-ভাতিজা ৫দিনধরে জিম্মি : মুক্তিপণ দাবী

w-k-scaled.jpg

হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফের হোয়াইক্যং কম্বইন্যা পাহাড়ে চরন্ত মহিষের পাল আনতে গিয়েই পাহাড়ে অবস্থানকারী স্বশস্ত্র ডাকাত গ্রুপের হাতে গত ৫দিনধরে আটক হয়ে চাচা-ভাতিজা জিম্মি অবস্থায় রয়েছে। একটি মুঠোফোন হতে ২০লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দিলে ফেরত দেবে বলে দাবী জানানো হচ্ছে। এদিকে ভূক্তভোগী পরিবার এই বিষয় নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে।
জানা যায়, গত ২৭নভেম্বর দুপুরে হোয়াইক্যং ৯নং ওয়ার্ড কম্বনিয়া পাড়ার আব্দুল মজিদের পুত্র জলিল আহমদ (৭২) এবং কবির আহমদের পুত্র হামিদ হোছন (৩০) পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে চরন্ত পোষা মহিষের ঝাঁক আনতে যায়। মহিষ খোঁজ করার সময় তারা অর্তকিতভাবে স্বশস্ত্র বনদস্যুদের সামনে পড়ে যায়। তখন তাদের সন্দেহ হলে জলিল ও হামিদ প্রশাসনের সোর্স হিসেবে পাহাড়ে এসেছে কিনা বিভিন্ন কিছু মাথায় নিয়ে তাদের আটকে ফেলে। পরে স্থানীয় দূবৃর্ত্ত চক্রের লোকজন মারফতে তাদের পারিবারিক খোঁজ-খবর নেওয়ার পর তাদের মুক্তির জন্য পাহাড়ে অবস্থানকারী স্বশস্ত্র বনদস্যু গ্রæপের এক সদস্য মুঠোফোন নং-(০০৯৫৯-৪২৫৮৯৬৮৫৮) হতে কল করে জলিল এবং হামিদের পরিজনের নিকট ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে বসে। তখন তাদের পরিবার এই বিষয়ে নিরুপায় হয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হলেও এখনো কোন ধরনের কূল-কিনারা হয়নি। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিশেষ কৌশলে আটক চাচা-ভাতিজা সুস্থ রয়েছে।
এই ব্যাপারে পরিবারের নিকট জানতে চাইলে বনদস্যুদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
এই বিষয়ে হোয়াইক্যং মডেল ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়ে ভিকটিমদের পরিবারের নিকট গিয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে অবহিত করেছি। ৫দিন যাবত যাবত তারা ফিরে না আসায় পরিবার ও প্রতিবেশীরা চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। বনদস্যুদের হাতে বন্দিদের যত দ্রæত সম্ভব উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি। ###