প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

protibad.jpg

গত ১০ অক্টোবর টেকনাফ টুডে ডটকম এ প্রকাশিত “বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ইয়াবা ও হু্ন্ডি : সাঁড়াশী অভিযানেও অধরা সাতকানিয়া ওসমান” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমাদের ব্যবসায়িক প্রতিপক্ষ সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য দিয়ে নিউজটি পরিবেশক করিয়ে থাকতে পারে বলে আমার ধারনা। বস্ততপক্ষে দীর্ঘদিন যাবত বৈধ ব্যবসার মাধ্যমে আমরা জীবিকা নির্বাহ করে আসছি এবং তিলে তিলে কঠোর পরিশ্রম ও কষ্ঠের মাধ্যমে আমাদের ব্যবসা গড়ে তুলেছি। যা সম্পূর্ণভাবে বৈধ পথে অর্জিত।

সংবাদে টেকনাফ গণি মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে যেসব দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তাও সত্য নয়। লামার বাজার মদিনা সিটি সেন্টারে একটি মাত্র দোকান রয়েছে। এছাড়া লোগো নামে যে দোকানটির কথা বলা হয়েছে সেটির মালিকও আমি না। লামার বাজার নাফ সিটি সেন্টারের দোকানটি আমাদের ভাইদের যৌথ মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

মূলত একজন বৈধ রপ্তানীকারক হিসাবে গত এক দশকের বেশী সময় ধরে আমি টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমারে বৈধ ভাবে গার্মেন্টস পোষাক রপ্তানী করে আসছি।

আমার বিরুদ্ধে হুন্ডি ও ইয়াবা ব্যবসায় সম্পৃক্ততার যে অভিযোগ আনা হয়েছে তাও সত্য নই। আমি অতিতে কখনো ঘৃনিত ইয়াবা কিংবা দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকারক হুন্ডি ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না।

মূলত টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে বৈধ ভাবে গামেন্টস পন্য রপ্তানী করে সচ্ছলতা অর্জন করায় অনেকের চক্ষুশূল হয়েছি। তবে সংবাদে যেভাবে আমাকে শত কোটি টাকার মালিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে আসলেই তা কাল্পনিক বক্তব্য ছাড়া আর কিছু নয়।

সংবাদে হুন্ডি ব্যবসায়ী ইয়াছিনের বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনায় যে মামলার কথা উল্লেখিত হয়েছে তারও দু’বছর আগে থেকে আমি ব্যবসায়ীক কারনে টেকনাফের বাহিরে অবস্থান করতেছিলাম। যা সঠিক তদন্তে প্রমানিত হবে।

অতএব উল্লেখিত সংবাদে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ জানাব পাশাপাশি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মামলাসহ যাবতীয় অভিযোগ থেকে রেহাই পাবো বলে আমি আশা প্রকাশ করছি।

নিবেদক
ব্যবসায়ী ওসমানের পক্ষে
বড় ভাই আলি হোসেন