porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

চকরিয়া পৌরসভায় শুরু হচ্ছে ৭৬ কোটি টাকার বিপরীতে ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ

Chakaria-Picture-09-10-19.jpg

এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান পঞ্চম পৌরপরিষদ ২০১৬ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর থেকে চকরিয়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে পরিকল্পিত উন্নয়নে প্রতিটি এলাকাকে ঢেলে সাজাতে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে তিনবছর সময়ে বিশ্বব্যাংকের এলজিএসপি ও এমজিএসপি প্রকল্পের অধীনে পৌরসভা এলাকায় অন্তত ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে প্রায় দুই শতাধিক ছোট-বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এবার একই প্রকল্পের অধীনে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৩১টি নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরো ৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন বিশ্বব্যাংক।
পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠার পর পাঁচ মেয়াদে পৌরপরিষদ পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় আলমগীর চৌধুরী সর্বশেষ প্রেক্ষাপটে সরকারি দলের মেয়র হওয়ার সুবাদে তিনি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রাণালয়ে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রেখে এলাকার উন্নয়নে চাহিদা মতো অর্থবরাদ্দ নিশ্চিতের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকাÐ বাস্তবায়নে সফলতার পথে এগিয়ে রয়েছেন। সাড়ে তিনবছরে মেয়র আলমগীর চৌধুরী পৌরসভার উৎস কর ছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অধীন এলজিএসপি ও এমজিএসপি প্রকল্পের বিপরীতে পৌর এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক ছোট-বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করেছেন। ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাÐের ফলে বর্তমানে চকরিয়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের লক্ষাধিক মানুষ একটু দেরিতে হলেও নাগরিক সেবা পেতে শুরু করেছেন। এই অভিমত স্থানীয় নগর পরিকল্পনাবিদ ও সুধীজনদের।
সোমবার ৭ অক্টোবর বিশ্বব্যাংকের এমজিএসপি প্রকল্পের অধীনে চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দে ৩১টি ছোট-বড় উন্নয়ন প্রকল্পের নতুন টেন্ডার হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে চকরিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী উন্নয়নের পাইপ লাইনে থাকা নতুন প্রকল্প সমুহের তালিকা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, শীঘ্রই এসব উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। এসব প্রকল্পের কাজ চলমান থাকাকালে কিছুদিনের মধ্যে আরো ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দে নতুন প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিশ^ব্যাংকের অর্থায়নে চলতি অর্থবছর ৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দে চকরিয়া পৌরসভার নতুন ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে (১) ৫নং ওয়ার্ড-করাইয়া ঘোনা হোসেন চেয়ারম্যান বাড়ি হতে মাষ্টার সিরাজ আহমদ বাড়ি পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা। (২) ৫নং ওয়ার্ড করাইয়া ঘোনা কালু মাঝি বাড়ি হতে মগ পাড়া লাইটিং সহ আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজ। (৩) ৬নং ওয়ার্ড করাইয়া ঘোনা ওমর বাড়ি হতে আবদুল হাকিম বাড়ি হয়ে মৌলভী মন্জুর হুজুরে পর্যন্ত লাইটিং সহ আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজ। (৪) ৯নং ওয়ার্ড আব্বাছ মাষ্টার বাড়ি হতে বলাগোল মুমিন মাদ্রাসা পর্যন্ত। (৫) ৮নং ওয়ার্ড চিরিংগা ষ্টেশন পাড়া লাইটিং সহ আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজ। (৬) ৭নং ওয়ার্ড বিনামারা ঈদ্দাপাড়া মোস্তাক আহমদের দোকান হতে নুরুল কবির বাড়ি পর্যন্ত লাইটিং সহ রাস্তা নির্মাণ কাজ। (৭) ২নং ওয়ার্ড সাব রেজিষ্টার অফিস হতে হালকাকারা বেড়িবাঁধ পযর্ন্ত লাইটিং সহ ড্রেন নিমার্ণ কাজ। (৮) ৪নং ওয়ার্ড স্বপ্নপূরী কালভার্ট হতে খোদারকুম পর্যন্ত আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজ। (৯) ১নং ওয়ার্ড ঘনশ্যাম বাজার হতে সোবাহানিয়াকুম পর্যন্ত আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজ। (১০) ৭নং ওয়ার্ড পালাকাটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ হতে আবু সালামে দোকান পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ কাজ। (১১) ৪নং ওয়ার্ড ভরামুহুরী হাজী পাড়া সড়ক লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা ড্রেন সহ নির্মাণ কাজ। (১২) ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড মগবাজার মহিলা মাদ্রাসা হতে জাহাঙ্গীর সিকদারের বাড়ি পর্যন্ত লাইটিং সহ সড়কে আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন, (১৩) ৬ ও ৭নং ওয়ার্ড মগবাজার কালভার্ট হতে মাছঘাট পর্যন্ত লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা রাস্তার উন্নয়ন কাজ। (১৪) ১,২ ও ৮নং ওয়ার্ডে কোচপাড়া আরকান সড়ক এর মাথা হতে মাতামুহুরি ব্রিজ হয়ে জালিয়াপাড়া পর্যন্ত শহর রক্ষাবাঁধের উপর লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা রাস্তার উন্নয়ন কাজ। (১৫) ৮নং ওয়ার্ড এশিয়ান হাসপাতাল হতে বাঁশঘাট ষ্টেশন পর্যন্ত লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা সড়কে উন্নয়ন কাজ। (১৬) ৯নং ওয়ার্ড রাজধানী পাড়া দুবাই মোজাম্মেলের বাড়ি হতে মৌলভীপাড়া জামে মসজিদ পর্যন্ত লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা সড়কে উন্নয়ন কাজ। (১৭) ৭নং ওয়ার্ড মৌলভীরকুম বাজার হতে পালাকাটা বার আউলিয়া মসজিদ হয়ে লাল মিয়া সওদাগর পর্যন্ত লাইটিং সহ আরসিসি সড়কে উন্নয়ন কাজ। (১৮) ৩নং ওয়ার্ড বাটাখালি শহীদ আবুল কালাম সড়কে লাইটিং সহ রাস্তার উন্নয়ন কাজ। (১৯) ৮,৪,৬ নং ওয়ার্ডের আরকান সড়কে সমিতি মার্কেট হতে গার্লস স্কুল রোড় হয়ে হাসপাতাল পাড়া বজ মহাজান বাড়ি হয়ে খোদারকুম হয়ে এবং ক্যামব্রিয়ান স্কুল থেকে বাস টার্মিনাল রিয়াজুল জন্নাত মসজিদে পর্যন্ত সড়ক লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন কাজ, (২০) গ্রামীণব্যাংক হতে সার্ভ অফিস হয়ে ভাঙ্গারমুখ চক্ষু হাসপাতাল পর্যন্ত লাইটিং সহ সড়কে আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন কাজ। (২১) ৭নং ওয়ার্ড চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক হতে মাননীয় এমপি জাফর আলম বিএ(অর্নাস) এমএ সাহেব এর বাড়ি হয়ে পালাকাটা জেটি রোড় পর্যন্ত লাইটিং সহ সড়কে আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন কাজ। (২২) ৬ ও ৭নং ওয়ার্ড মৌলভীরকুম বাজার হতে মগবাজার পর্যন্ত এবং নিজপানখালি স্কুল হতে বড়ুয়াপাড়া শ্মাশান পর্যন্ত ও বড়ুয়াপাড়া মন্দিরপাড়া রোড় লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন কাজ। (২৩) ২ নং ওয়ার্ড চকরিয়া পাইলট হাই স্কুল জামে মসজিদ হতে ওয়েষ্টার্ন প্লাজা মার্কেট পর্যন্ত সড়ক লাইটিং ও ড্রেন সহ আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন কাজ। (২৪) ৩নং ওয়ার্ড ফুলতলা হতে তরছঘাট হয়ে ঘনশ্যাম বাজার পর্যন্ত সড়কে ড্রেনের উপর টাইলস স্হাপন ও লাইটিং নির্মাণ কাজ। (২৫) পৌর বাসটার্মিনাল এস এ পরিবহন সামনে হতে লামা-আলিকদম বাসস্টেশন ও জিপ ষ্টেশন হতে কলার আড়ৎ পর্যন্ত লাইটিং সহ আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজ। (২৬) ৩,২ ও ১নং ওয়ার্ডে চকরিয়া পৌরসভার ১নং গেইট হতে বেতুয়াবাজার সড়ক পর্যন্ত আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজ। (২৭) ৯নং ওয়ার্ড পুকপুকুরিয়া বালাগুল মুবিন মাদ্রাসা হতে পশ্চিমে বাঁধা খাল পর্যন্ত আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজ। (২৮) ২নং ওয়ার্ড চিরিংগা ডা:তেজেন্দ্র এর বাড়ি হতে গ্রামার স্কুল পযর্ন্ত আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজ। (২৯) বেতুয়াবাজার রাস্তা হতে সোবাহানিয়াকুম কালভার্ট পর্যন্ত সড়ক লাইটিং সহ আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন কাজ। (৩০) ২নং ওয়ার্ড ওয়াপদা সড়ক লাইটিং ও ড্রেন সহ আরিসিসি দ্বারা নির্মাণ কাজ। (৩১) ৯নং ওয়ার্ড বজেন্দ্র মহাজন গেইট হতে অলিশাহ বাজার পর্যন্ত সড়ক আরসিসি দ্বারা উন্নয়ন কাজ।
চকরিয়া পৌরসভার সচিব মাস-উদ মোর্শেদ বলেছেন, পৌরসভার নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের অধীন এলজিএসপি ও এমজিএসপি প্রকল্পের আওতায় বর্তমান পৌরপরিষদ সাড়ে তিনবছরে চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় অন্তত ৮০ কোটি টাকার বিপরীতে প্রায় দুই শতাধিক ছোট-বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করেছেন। ধারাবাহিক উন্নয়ন প্রকল্প পরির্দশন করে সন্তোষ প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক ও এমজিএসপি প্রকল্পের কর্মকর্তারা ফের নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরো ৭৬কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।
পৌর সচিব মাস-উদ মোর্শেদ বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন সমন্বয় সভার সিদ্বান্তের আলোকে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে গুরুত্বপুর্ণ বিবেচনা করে ও অগ্রাধিকার যাছাই-বাছাই শেষে টেন্ডারের মাধ্যমে নতুন প্রকল্পের আওতায় আধুনিকমানের ড্রেন ও নতুন সড়ক সম্প্রসারণে নতুন প্রকল্প গুলো বাস্তবায়ন করা হবে।
চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের সময় পৌরবাসির কাছে আমার প্রতিশ্রæতি ছিল, পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে চকরিয়া পৌরসভাকে একটি স্বপ্নের মেগাসিটি হিসেবে রূপান্তর করবো। শপথ গ্রহণের পরদিন থেকে পৌরবাসির কল্যাণে উন্নয়নের পাশাপাশি আমি শতভাগ সেবা নিশ্চিতে নিরলশভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, বর্তমান পৌরপরিষদ নির্বাচিত হবার পর থেকে চকরিয়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে পরিকল্পিত উন্নয়নে প্রতিটি এলাকাকে সাজানো হচ্ছে। আমাদের সাড়ে তিনবছর সময়ে পৌরসভা এলাকায় অন্তত ৮০ কোটি টাকার বিপরীতে প্রায় দুই শতাধিক ছোট-বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, ৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দে নতুন প্রকল্পের অধীনে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে অন্তত ৩১টি ছোট-বড় উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ সহসা শুরু করা হবে। বেশিরভাগ প্রকল্পে আধুনিকমানের ড্রেন নির্মাণ ও সড়ক সম্প্রসারণ কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল ওয়ার্ডে অসমাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সমাপ্ত করা হবে ইনশাল্লাহ।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri