porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

হলদিয়াপালংয়ে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র

Current.jpg

ফারুক আহমদ : উখিয়ার দুর্গম এলাকা নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে কতিপয় চিহ্নিত দালাল চক্র লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার হলদিয়াপালং ৩নং ওয়ার্ডের ছায়া খোলা, রেঙ্গুলবিল, বড়–য়া পাড়া, সাতগড়িয়া পাড়া ও তুলাতলী নামক গ্রামে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে টাকা হাতিযে নিচ্ছে স্থানীয় মেম্বারের নেতৃত্বে একটি দালাল চক্রের সিন্ডিকেট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রধান মন্ত্রীর উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এ কর্মসূচীর আওতায় সারাদেশের ন্যায় উখিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নতুন বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে।

প্রান্তিক ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে বিদ্যুৎ সেবা পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে গেলেও স্থানীয় কিছু চিহ্নিত দালাল চক্র এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হত দরিদ্র পরিবারের নিকট হতে হাতিযে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত রয়েছে বিদ্যুৎ অফিসের লাইন সম্প্রসারণ কাজের ঠিকাদার ও ফোর ম্যান। ও স্থানীয় দালালচক্র। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে নানা অজুহাত দেখিয়ে ওই দালাল চক্র এ কাজটি করে যাচ্ছে বলে অনেকের অভিমত।

খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ছায়া খোলা রেঙ্গুলবিল, বড়–য়া পাড়া, সাতগড়িয়া পাড়া ও তুলাতলী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় প্রায় ৩শত ৫০ পরিবার রয়েছে। ওই গ্রামের সুবিধা বঞ্চিত পরিবারে নতুন বিদ্যুৎ পৌছে দিতে সম্প্রতি বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয় কাজ শুরু করেন। বর্তমানে বড়–য়া পাড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হয়েছে। মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা জামাল উদ্দিন, মুন্সি ছৈয়দ নুর ও আয়াছ মিয়া সহ বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী অভিযোগ করে বলেন, নতুন বিদ্যুৎ লাইনের সংযোগের নামে ৩হাজার ৪ হাজা টাকা করে প্রতিটি পরিবার থেকে আদায় করছে। স্থানীয় মেম্বার হোসেন মোহাম্মদ মোক্তার এর নির্দেশে দালালচক্রের সদস্যরা খুঁটি, বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটারের কথা বলে টাকা গুলো আদায় করছে। অভিযোগে আরো জানা যায়, টাকা আদায়কারী সিন্ডিকেট সদস্যরা হচ্ছে মনিয়া, ছৈয়দ আলম, আলী হোছন, জয়নাল, খুইল্ল্যা মিয়া, টিটু বড়–য়া, পুতিয়া, জাফর আলম, আলী হোছন ও আহমদ হোছন। উক্ত সংঘবদ্ধ দালাল চক্র জোরপূর্বক বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে উৎকোচের টাকা উত্তোলন করছে।

স্থানীয় জনগনের অভিমত সরকার বিনা খরচে প্রান্তিক এলাকায় নতুন বিদ্যুৎ লাইন সম্প্রসারন ও সংযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও কতিপয় চিহ্নিত দালাল চক্র এ সুযোগে জোর পূর্বক টাকা আদায় করা খুবই দু:খ জনক। তারা আরও বলেন, কেউ টাকা দিতে অনিহা প্রকাশ করলে তাকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে অসহায় গরীব মানুষ টাকা দালালদের হাতে তুলে দেয়। এভাবে শুধু মাত্র ৩নং ওয়ার্ড থেকে সাড়ে ১২ লক্ষ টাকা বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে সাধারণ ও নিরহ জনগণ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে এ চক্রটি। মেম্বার মোক্তার আহমদ ও দালাল চক্রের সাথে উখিয়া ও কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কতিপয় কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যাতা ও যোগসাজস রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে স্থানীয় জনগণ ইতিমধ্যে কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম এর কাছে গিয়ে নতুন সংযোগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ করলে বিষয়টি তিনি উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যয়পারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন মুন্সির সাথে যোগাযোগ করলেও মোবাইল সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে উখিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষ জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ নামে দালালের হাতে কেউ টাকা দিয়ে থাকলে সেটা জন্য আমরা দায়ী নয়। কেবল রশিদ দিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি টাকা গ্রহণ করে।

স্থানীয় জনগন বিদ্যুৎ সংযোগের নামে বিপুল পরিমান টাকা নিরহ ব্যক্তির নিকট হতে আদায়কারী চিহ্নিত দালাল চক্রদেরকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট দাবী জানিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri