ইয়াবা কারবার নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দের জেরধরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী কালা সেলিমকে জবাই করে খুনের গুঞ্জন!

kon.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক পাহাড়ে ইয়াবা চোরাচালান ও রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দের জেরধরে ডাকাত দলের পাহাড়ী আস্তানায় কুখ্যাত ডাকাত সর্দার কালা সেলিমকে নৃশংসভাবে গুলিবর্ষণ ও জবাই করে খুন করেছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এমনই গুঞ্জনে শরণার্থী ক্যাম্প এবং পাশর্^বর্তী এলাকার জনসাধারণ আতংকিত হয়ে উঠেছে।
গোপনীয় সুত্রের দাবী, ৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টারদিকে ডাকাত সর্দার কালা সেলিম শালবাগান ক্যাম্প সংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম পাহাড়ী আস্তানায় স্বশস্ত্র পাহারায় ঘুমিয়ে পড়ে। তখন আগ থেকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকা একই গ্রæপের সেকেন্ড ইন কমান্ড ডাকাত জকির তাকে গুলিবর্ষণ ও জবাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। রাত সাড়ে ১০টায় খুন হওয়া ডাকাত সেলিমকে পাহাড়ে দাফন করার খবর ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অজানা আতংক ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি আইন-শৃংখলা বাহিনীর নজরে এলে টেকনাফ থানার একদল পুলিশ ও গ্রামবাসীসহ পাহাড়ে নিহত ডাকাত সর্দার কালা সেলিমের মৃতদেহ উদ্ধার অভিযানে রয়েছে।
পুলিশের সাথে ইয়াবা গডফাদার নুর মোহাম্মদ ওরফে নুর বন্দুক যুদ্ধে নিহত হওয়ার পর বড় বড় ইয়াবার চালান ও উগ্রপন্থী সংগঠন নিয়ন্ত্রণ এবং বিদেশী টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দের জেরধরে এই নৃশংস ঘটনার সুত্রপাত বলে স্থানীয় এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একাধিক সুত্রের দাবী। একাধিক সুত্রের দাবী নিহত কালা সেলিমকে রাত সাড়ে ১০টারদিকে পাহাড়ে দাফন করা হয়েছে। অপর একটি সুত্রের দাবী তাকে জবাই করে খুন করার পর পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আইন-শৃংখলা বাহিনীর একাধিক সুত্র বিষয়টি লোকজন মারফতে অবহিত হলেও মৃতদেহ উদ্ধার না হওয়ায় উপরোক্ত বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারছেনা।
এই ব্যাপারে অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে না পেয়ে হ্নীলা ইউপি দফাদার নুরুল আমিনের নিকট জানতে চাইলে বলেন,খবর পেয়ে আমরা পুলিশের সাথে গিয়েছিলাম। কোন ধরনের মৃতদেহ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য,নিহত ডাকাত সর্দার কালা সেলিম এবং খুনী ডাকাত জাকির সম্প্রতি খুন হওয়া হ্নীলা ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক হত্যা মামলার আসামী।