মিয়ানমার থেকে সাগর পথে আসছে পেঁয়াজ

peyaz.jpg

সামী জাবেদ, টেকনাফ :
মিয়ানমার থেকে গত ১৮ দিনে ৩৯২ টন পেঁয়াজ আমদানী হয়েছে। টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে নৌ পথে এসব পেঁয়াজ আমদানী করছেন ব্যবসায়ীরা। গত ৩১ আগস্ট থেকে এ বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানী শুরু হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩৯২ টন পেঁয়াজ আমদানী হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ স্থল বন্দর পরিচালনায় নিয়োজিত ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি আরো জানান, সম্প্রতি ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানীতে উৎসাহিত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ভারতীয় পেঁয়াজের জন্য টনপ্রতি ৮৫০ ডলার দাম নির্ধারন করা হয়েছে। অথচ মিয়ানমার থেকে ৩০০ থেকে ৫০০ ডলারের মধ্যে প্রতি টন পেঁয়াজ আমদানী করা যাচ্ছে। পেঁয়াজ আমদানীতে ব্যবসায়ীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
টেকনাফ সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েসনের সাধারন সম্পাদক এহেতেশামুল হক বাহাদুর জানান, বর্তমানে বাজার মূল্যের থেকে আমদানী মূল্য কম হওয়ায় ব্যবসায়ীরা মুনাফা করতে পারছেন। ফলে তারা পেঁয়াজ আমদানীর দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। আগেও বিভিন্ন সময় বন্দর দিয়ে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানীর রেকর্ড রয়েছে। মিয়ানমার থেকে টেকনাফ বন্দরে পৌঁছতে সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩দিন সময় লাগে বলে জানান তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পেঁয়াজ আমদানীকারকদের মধ্যে হাশেম এন্টারপ্রাইজ, সাদ্দাম এন্টারপ্রাইজ, হক এন্ড সন্স সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানী করছেন।
আমদানী কারক এমএ হাশেম জানান, বুধবার ১২০টন পেঁয়াজ নিয়ে তার নিজের আমদানী করা একটি জাহাজ বন্দরে ভিড়েছে। ইতিমধ্যে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পেঁয়াজ গুলো খালাস করে দেশের আভ্যন্তরীন বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। মিয়ানমার পেঁয়াজ আমদানী অব্যাহত থাকলে বাজারের দাম সহনীয় হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে মিয়ানমার থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আসলেও টেকনাফের বাজারে এখনো বিক্রয় হচ্ছে ভারতীয় পেঁয়াজ। যা ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টেকনাফ বাস স্টেশনের ব্যবসায়ী ফরহাদ জানান, পাইকারী ব্যবসায়ীরা কেউ টেকনাফ স্থল বন্দর থেকে মিয়ানমার পেঁয়াজ টেকনাফের স্থানীয় বাজারে নিয়ে আসেননি তাই তারা বিক্রি করতে পারছেন না।