porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

রোহিঙ্গা সমাবেশ-২ : এড.মাহবুব ও রহিম বললেন- আমরা কিছুই জানিনা

Rohingya_2-years_25-08-19-4-750x430.jpg

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :

গত ২৫ আগষ্ট উখিয়া মধুরছরা এক্সটেনশন-৪ রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের মাঠে রোহিঙ্গা আগমনের দু’বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচিত রোহিঙ্গা শরনার্থী সমাবেশে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র আইনজীবী ও কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি (এ্যাসিসটেন্ট পাবলিক প্রসিকিউটর) মাহবুবুর রহমান ও দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) এর প্যানেল আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে। সমাবেশের পর প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে এ অভিযোগ পাওয়া গেছে। এডভোকেট মাহবুবুর রহমান ও এডভোকেট মোহাম্মদ আবদুর রহিমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ হচ্ছে-সমাবেশ আয়োজনকারী মাষ্টার মুহিব উল্লাহ’র নেতৃত্বাধীন আরকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিচ এন্ড হিউমিনিটি রাইটার্স (এআরএসপিএইচ) নামক রোহিঙ্গা শরনার্থী সংগঠনটির অন্যান্যদের সাথে তার দু’জনও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। এডভোকেট মাহবুবুর রহমানের গ্রামের বাড়ি টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা গ্রামে, বর্তমানে কক্সবাজার শহরের উত্তর রুমালিয়ার ছরার বাসিন্দা। এডভোকেট মোহাম্মদ আবদুর রহিম উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের উয়ালা পালং গ্রামে, বর্তমানে কক্সবাজার শহরের উত্তর তারাবনিয়ার ছরার বাসিন্দা। প্রাথমিক এই তদন্ত প্রতিবেদনটি উপজেলা প্রশাসন থেকে জেলা প্রশাসন হয়ে দেশের নীতিনির্ধারণী মহলের কাছে ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে। এ তদন্ত প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে প্রিলিমিনারী এ্যাকশন শুরু হয়েছে। এ প্রতিবেদনের আবার অধিকতর তদন্তও শুরু হয়েছে।
এবিষয়ে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির বেশ কয়েকবার নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য এডভোকেট মাহবুবুর রহমান ও কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ আবদুর রহিম সিবিএন-কে বলেছেন-কথিত রোহিঙ্গা শরনার্থী সংগঠনের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। সংগঠনটির ব্যাপারে আমরা কিছুই জানিনা। এভাবে তদন্ত প্রতিবেদনে আমাদের নাম আসতে শুনে আমরা বিস্মিত হয়েছি। এ বিষয়ে আমাদের একটা তীব্র প্রতিবাদ উখিয়া ইউএনও’র কাছে সোমবার ৯ সেপ্টেম্বর দিয়েছি। প্রতিবাদের একটা অনুলিপি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসককেও দিয়েছি। দু’জন আইনজীবীর মতে, হয়ত শত্রুতা বশত কে বা কারা আমাদের নাম তদন্ত প্রতিবেদনে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ তদন্ত প্রতিবেদনে কিছু অংশে মিথ্যা ও বানোয়াটভাবে আমাদের নাম উল্লেখ করায় আমাদের প্রচুর সম্মানহানি ও সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়েছে বলে দাবি করেন উল্লেখিত দু’জন সিনিয়র আইনজীবী। দু’জন আইনজীবীর প্রতিবাদের বিষয়ে জানতে উখিয়ার ইউএনও মোঃ নিকারুজ্জামান’কে সেল ফোনে কল করলেও তিনি সেল ফোন রিসিভ করেননি।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri