porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পে লামা উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রস্তুতি চলছে

lama-pic-.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০ মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন শীর্ষক প্রকল্প’র আওতায় লামা উপজেলায় নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি দ্রæত এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে কোর্ট মসজিদের জায়গা মনোনীত করা হয়েছে। নিলামের মাধ্যমে পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ফেলার কাজ শেষের পর্যায়ে। চলতি বছরের মধ্যে নতুন কমপ্লেক্সের কাজ শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট তথ্যসূত্রে জানাযায়, ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনতলা বিশিষ্ট এই কমপ্লেক্সের কাজ শেষ হবে ২০২০ সালে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে উন্নত মসজিদ নির্মানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। গত ৮/২/২০১৫ খ্রি. তারিখে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় পরিদর্শনকালে উক্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প ৮ হাজার ৭২২ কেটি টাকা ব্যায়ে এপ্রিল, ২০১৭ হতে ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নে অনুমোদিত হয়। সংশোধিত অনুমোদিত প্রকল্পের নকশা অনুযায়ী মডেল মসজিদের জন্য ৪০ শতাংশ জায়গার প্রয়োজন। লামা উপজেলার ক্ষেত্রে উক্ত জায়গা মনোনিত হয় লামা কোর্ট মসজিদ কমপ্লেক্স প্রধান মন্ত্রী ঘোষিত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এর পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে।
সূত্রে প্রকাশ, জেলা পর্যায়ে ৪ তলা ও উপজেলার জন্য ৩ তলা এবং উপকূলীয় এলাকায় ৪ তলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতি কেন্দ্র নির্মানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। শ্রীঘ্রই সারা দেশে অবশিষ্ট মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামায আদায়ের সুবিধা থাকবে। এছাড়া অন্যান্য সুবিধার মধ্যে থাকবে, লাইব্রেরী গবেষনা ও দীনি দাওয়া কার্যক্রম, পবিত্র কুরআন হেফজ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশী পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্জযাত্রীদের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি। ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আধুনিক ইসলামিক স্থপত্যের ঐতিহ্যমাখা এই কমপ্লেক্স নির্মাণ সম্পন্ন হলে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ইসলামি সংস্কৃতির গৌরবোজ্জল আলো ছড়িয়ে পড়বে। এসমন মন্ত্য করে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রী প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri