porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে শুভেচ্ছা সফরে শ্রীলংকান নৌবাহিনী যুদ্ধজাহাজ ‘সায়ুরা’ ও ‘নন্দিমিত্র’

Srilanka.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে শুভেচ্ছা সফরে এসেছে শ্রীলংকান নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ‘সায়ুরা’ (ঝখঘঝ ঝঅণটজঅ) ও ‘নন্দিমিত্র’ (ঝখঘঝ ঘঅঘউওগওঞঐজঅ)। চারদিনের এ সফরে জাহাজ দুটি আজ সোমবার (২৬-০৮-২০১৯) সকালে চিটাগাং ড্রাই ডক লিমিটেডের জেটিতে এসে পৌঁছায়। এসময়, নৌবাহিনীর সুসজ্জিত বাদক দল ঐতিহ্যবাহী রীতিতে ব্যান্ড পরিবেশন করে জাহাজ দু’টিকে স্বাগত জানায়। পরে, চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের চীফ স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন এম আব্দুস সামাদ জাহাজ দু’টির অধিনায়কগণকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান।

জাহাজ দু’টিতে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাসহ মোট ২৪৭ জন নৌসদস্য রয়েছেন। শ্রীলংকান নৌবাহিনীর অফসোর পেট্রোল ভেসেল ‘সায়ুরা’ এর অধিনায়ক হিসেবে ক্যাপ্টেন নীলানথা হিওয়াভিথারান (ঈধঢ়ঃধরহ ঘরষধহঃযধ ঐবধিারঃযধৎধহব) এবং ফাস্ট মিসাইল ভেসেল ‘নন্দিমিত্র’ এর অধিনায়ক হিসেবে ক্যাপ্টেন বুদ্ধিকা লিয়ানাগমেজ (ঈধঢ়ঃধরহ ইঁফফযরশধ খরুধহধমধসধমব) দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে, সফরকারী জাহাজ দুটি বাংলাদেশের জলসীমায় এসে পৌঁছালে নৌবাহিনী জাহাজ ‘দূর্জয়’ তাদের অভ্যর্থনা জানায়।
বাংলাদেশে অবস্থানকালে জাহাজ দুটির অধিনায়কগণ কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল, কমান্ডার বিএন ফ্লিট এবং চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া,সফরের অংশ হিসেবে জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকগণ নৌবাহিনী জাহাজ সমুদ্র জয়, বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি, স্কুল অব মেরিটাইম ওয়ারফেয়ার এন্ড ট্যাকটিস (এসএমডব্লিউটি), বানৌজা শহীদ মোয়াজ্জম ঘাঁটিসহ নৌবাহিনী পরিচালিত বিশেষ চাহিদা স¤পন্ন শিশুদের স্কুল ‘আশার আলো’ এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন ঐতিহাসিক পর্যটন এলাকা পরিদর্শন করবেন। তাছাড়া, বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণার্থী ক্যাডেটদের অংশগ্রহণে একটি প্রীতি বাস্কেটবল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রীলংকান নৌবাহিনী জাহাজ দুটির এই শুভেচ্ছা সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণার্থী ও নাবিকদের পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা যায়। উল্লেখ্য, চারদিনের শুভেচ্ছা সফর শেষে জাহাজ দ’ুটি আগামী ২৯ আগস্ট ২০১৯ তারিখ বাংলাদেশ ত্যাগ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri