porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জের অফিসে ক্ষতিগ্রস্থ বিচারপ্রার্থীদের উপর হামলা!থানায় অভিযোগ

camp_21.jpg

বিশেষ প্রতিনিধি ::
টেকনাফে অবস্থিত ২১ নম্বর চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জের অফিসে রোহিঙ্গাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ বিচারপ্রার্থীকে হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় আহত গোরা আলী সিকদারের ছেলে ফিরুজ আহমদ (৩০), মোহাম্মদ জমির (৪০) ও জালাল আহমদ (৬০)। ২২ আগস্ট দুপুরের দিকে ২১ নম্বর রোহিঙ্গা চাকমারকুল সিআইসি অফিস ও ইনচার্জের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আহতরা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কেরুনতলী গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকার কর্তৃক রোহিঙ্গাদের জন্য ৬ হাজার একর ভুমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের জন্য আর কোনো বরাদ্দ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর সভায়। এ সংক্রান্ত সভার নির্দেশনা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন হয়ে স্ব-স্ব ক্যাম্প ইনচার্জের কাছে পৌঁছেছে। এছাড়া সরকারী বিভিন্ন দপ্তরে সেই নির্দেশনা প্রেরন করা হয়েছে। কিন্তু কতিপয় ক্যাম্প ইনচার্জ নিদের্শনাটি উপেক্ষা করছেন বলে নানাভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরই প্রেক্ষিতে হঠাৎ কতিপয় চিহ্নিত এনজিও কেরুনতলী এলাকার ফরেস্ট সড়ক থাকা সত্তেও প্রায় দেড়শ পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ করে রাস্তা নির্মাণ শুরু করে। এতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর আবেদন করে। এরই প্রেক্ষিতে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের সহায়তা পাওয়ার আবেদন অগ্রায়ন পত্র শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কাছে প্রেরণ করা হয়। যার স্মারক নং ১৩৯০। এ বিষয়টি নিয়ে ২১ নং ক্যাম্পের সিআইসি মাহবুবুল আলমের কাছে গেলে তিনি ক্ষেপে যান। পরবর্তীতে একটি তারিখ দেয়া হলে ওই তারিখে (২২ আগস্ট) অফিসে গেলে তাদের হামলা করেন কতিপয় চিহ্নিত ব্যক্তিরা। এসময় শোর চিৎকার করলে অপরাপর লোকজন এগিয়ে উদ্ধার করে আহতদের টেকনাফ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এতে নিরব ভুমিকা পালন করেন ক্যাম্প ইনচার্জ।
আহত ব্যক্তি ফিরুজ আহমদ জানান, কতিপয় এনজিও দ্বারা জমিজমার উপর ও গাছপালা কেটে রাস্তা নির্মাণের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করিলে ক্যাম্প ইনচার্জ গালমন্দ করেন এবং তার আশিবার্দপুষ্ট পালংখালীর সিরাজুল হকের ছেলে মোঃ শফিক, নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ নুর, আনিছুর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ রাশেদ, মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. ইমন সহ ৮-১০ জন মিলে সিআইসি অফিস থেকে লাঠিসোটা নিয়ে ব্যাপক হামলা করে। হামলার নেতৃত্বদানকারী ওই শফিক একজন চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে প্রায় ১০ টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ডিবি পুলিশ সেজে ইয়াবা পাচারের সময় তাকে আটক করা হয়। যার মামলা নং ০৯/২০১৪, একই সালে পালংখালী বাজার হতে ইয়াবা সহ ডিবি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। চাকমারকূল নারী ধর্ষণ অন্যতম আসামী বলে জানা গেছে। এইরকম চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী শফিক সবসময় ক্যাম্প ইনচার্জেল আশির্বাদ পুষ্ট হয়ে বিভিন্ন এনজিও থেকে কোটি কোটি টাকার কাজ করছে। এ ছাড়া এ সিআইসির বিরোদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে বলেও জানা যায়।
এব্যাপারে ক্যাম্প ইনচার্জ মাহবুবুল আলমের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, হামলার কথা তিনি শুনেছেন। তবে রোহিঙ্গারা তাদের উপর হামলা করেছে বলে তিনি জেনেছেন। অভিযুক্তরা পূর্বে রোহিঙ্গাদের মালামাল কেড়ে নিলে পরে তারা যখন ক্যাম্পে যায় তখন রোহিঙ্গারা তাদের উপর হামলা করেছেন। তাছাড়া শফিক কে একজন ভেন্ডর হিসাবে চেনেন তবে ইয়াবা ব্যবসায়ী কিনা সেটা জানেন না।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri