porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

হত্যা মামলার পলাতক আসামীদের প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে বিস্মিত নিহত বশরের পরিবার

protibad.jpg

গত ১৮ আগস্ট দৈনিক কক্সবাজার ও দৈনিক আজকের দেশবিদেশ সহ কয়েকটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত “টেকনাফে পঙ্গু আবুল বশর হত্যা মামলায় নিরীহ লোকজনকে ফাঁসানোর অভিযোগ” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উপরোক্ত সংবাদটি পড়ে আরো জানতে পারলাম ১৭ আগস্ট কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দেলোয়ার ও বশর হত্যা মামলার আসামীরা এ দাবী করেছেন। আমরা আরো আশ্চর্য হয়েছি যে, গত ১৫/১১/২০১৭ ইং তারিখে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে টেকনাফ মহেষখালীয়া পাড়া এলাকায় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র আমাদের মামা দেলোয়ার হত্যা মামলার পলাতক আসামীরা কিভাবে প্রেস ক্লাবের মতো জায়গায় গিয়ে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে বুক ফুলিয়ে নিজেদের নির্দোষ দাবী করে ধুয়া তুলসী পাতা সাজার চেষ্টা করেছে তা বোধগম্য নয়। যাদের বিরুদ্ধে দেলোয়ার ও বশর হত্যা মামলা, পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ ও মাদক মামলা সহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে।
শুধু জমি বিরোধই নয়, প্রকৃত পক্ষে আসামীদের সাথে আমাদের যুগ যুগ ধরে শত্রুতা চলে আসছে। তারা সর্বদা এলাকায় অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে আমাদের জমি-জমা কুক্ষিগত করা সহ আমাদের উপর জোর জুলুম অত্যাচার চালিয়েছে। প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের হত্যা করেছে, পঙ্গু করেছে, লাঞ্চিত করেছে। সেই ২০০১ সালে তাদের বিরুদ্ধে থানায় ডাইরী (নং-৬৮১) করেছিলেন আমাদের দাদা মরহুম ফয়েজুর রহমান। উপরোক্ত আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে গত ১৫/১১/২০১৭ ইং তারিখে আমাদের মামা দেলোয়ারকে হত্যা করে, এর কয়েকদিন আগে ১০/১১/২০১৭ইং তারিখে তারা প্রকাশ্যে আমাদের পিতা আবুল বশরের পা কেটে নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় ১৪/০৬/২০১৮ইং সালে তারা আমি মিজান ও সাইফুলকে হত্যার চেষ্টা করে। তারই ধারাবাহিকতায় তারা গত ১১ আগস্ট আমাদের নিজ বাড়িতে ঢুকে আমাদের পিতা আবুল বশরকে অপহরণ করে গলা টিপে হত্যা করে জমিতে ফেলে দেয়। পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ ও মাদক মামলা
ঘটনার সাথে সাথে আমরা থানায় গিয়ে বিষয়টি জানালে পুলিশ এসে আমাদের মা কে হাসপাতালে নিয়ে যায় ও আমাদের পিতার লাশ উদ্ধার করে। অথচ তারা নিজেদের নির্দোষ দাবী করে উল্টো আমাদের উপর আমাদের পিতা হত্যার দায় চাপিয়েছে যা নিতান্তই হাস্যকর ও একই সাথে বেদনাদায়কও বটে।
সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবী করেছে আমার পঙ্গু পিতা মদ্যপ অবস্থায় আমার মাকে দা দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়েছে। যা নিতান্তই পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়। আমাদের পিতার যেখানে অন্যের সাহায্য ছাড়াই চলাফেরা করা ছিল কষ্টকর সেখানে দা দিয়ে আমার মায়ের পায়ে-হাতে ৬টি কোপ দেওয়া কাল্পনিক ঘটনা ছাড়া আর কিছু নয়। সেরকম কিছু হলে আমাদের মা দৌড়ে পালিয়ে গেলে আমার পিতার পক্ষে মা কে দৌড়াইয়ে দ্বিতীয়বার কুপ দেওয়া সম্ভব ছিল না। অথচ আমার মায়ের হাতে-পায়ে ৬টি কুপ দিয়েছিল হামলাকারীরা। আর আমাদের পিতার মদ্য পানের বিষয়টি সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। এমনকি তারা উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আমাদের এক ভাইকে পিতার হত্যাকারী আখ্যায়িত করেছে যা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয়। আমাদের প্রানপ্রিয় পিতাকে রাগের বশবতী হয়ে অথবা ভুলে আমরা হত্যা করবো তা কোন সুস্থ্য মস্তিস্কের মানুষ চিন্তাও করতে পারে না। তারা এতোটাই প্রভাবশালী যে, দেলোয়ার হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী হওয়া সত্বেও আইনশৃংখলা বাহিনীকে তোয়াক্কা না করে তারা প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করে। উক্ত আসামীদের অনেকে বিভিন্ন সময় মাদক ইয়াবা নিয়ে কারাভোগও করেছে। এ থেকেই সবার বুঝা উচিত তাদের অবৈধ কালো টাকা ও প্রভাব প্রতিপত্তি কত! অপরপক্ষে আমরা অত্যন্ত অসহায় ও নিরীহ একটি পরিবার। আমরা আইনের কাছে, দেশ ও সমাজের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করি। আমাদের পিতা ও মামার হত্যার ন্যায় বিচার প্রার্থনা করি। কাজেই উক্ত সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হয়ে আইনের গতি সুষ্টু স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চলবে সেই প্রার্থনা করি।

নিবেদক
ইব্রাহিম, মিজান ও সাইফুল
পিতা মৃত আবুল বশর
মহেষখালীয়া পাড়া
টেকনাফ।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri