bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কাশ্মীর নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসছে

salo_1565934945.jpg

টেকনাফ টুডে ডেস্ক : কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতীয় সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। চীন ও পাকিস্তানের অনুরোধে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বৈঠকটি শুরু হবে বলে কূটনীতিকদের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

নিরাপত্তা পরিষদের দৈনন্দিন সময়সূচি বলছে, সকাল ১০টায় ভারত/পাকিস্তান বিষয়ে পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক রয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকের মানে হলো- সেই বৈঠকে শুধু নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন। এর বাইরে আর কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এই বৈঠকের কোনো রেকর্ডও থাকে না। এমনকি সেখানে কোনো সাংবাদিককেও ঢুকতে দেওয়া হয় না।

কাশ্মীর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে দুই প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে এবং চীন পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়ে আসছে। এ কারণে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ আজকের বৈঠকে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারবে না বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

৫ অগাস্ট ভারতের পার্লামেন্টে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়। এ কারণে সায়ত্বশাসন হারায় কাশ্মীরিরা। সেখানে কেন্দ্রীয় শাসন জারি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা নন এমন নাগরিকদের সম্পত্তি কেনা ও বিয়ে করার সুযোগ করে দিয়েছে ভারত। এর প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে কাশ্মীরিরা। তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। অবরোধও চলছে। এদিকে ওই দিনটি থেকে কাশ্মীরের টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে রেখেছে দিল্লি এবং লোকজনের অবাধ চলাচল ও জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে। দুইজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি ও ওমর আব্দুল্লাহসহ কয়েকশ কাশ্মীরি নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।

কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি বরাবর এক চিঠিতে জরুরি বৈঠকের অনুরোধ জানান। জাতিসংঘে নিযুক্ত পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি মালিহা লৌদির মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সভাপতি পোল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত জোয়ান্না রনেকা বরাবর এ অনুরোধ জানানো হয়।

চিঠিতে কুরেশি লিখেছেন, ‘পাকিস্তান কাশ্মীরে যুদ্ধের উস্কানি দেবে না। কিন্তু ভারত যেন আমাদের সংযমকে দুর্বলতা না ভাবে। ভারত যদি ফের শক্তি প্রয়োগ করার পথে যায়, আত্মরক্ষার জন্য সর্বশক্তি নিয়ে পাকিস্তান জবাব দিতে বাধ্য হবে।’

নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানের অনুরোধে কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য পাকিস্তানকে আশ্বস্ত করে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশিকে বলেন, ‘কাশ্মীর ইস্যুতে ন্যা বিচারের জন্য কথা বলবে চীন।’

এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া থেকে বিরত থাকতে ভারত ও পাকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। কাশ্মীরের ভারতীয় অংশে বিধিনিষেধ আরোপের খবরে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন মহাসচিব।

১৯৪৮ সালে ও ১৯৫০-র দশকে কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের বিরোধের বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল। এর মধ্যে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গণভোট নেয়ার কথাও ছিল। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে অস্ত্রবিরতি পর্যবেক্ষণ করার জন্য ১৯৪৯ সাল থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort