bahis siteleri deneme bonusu veren siteler bonusal casino siteleri piabet giriş piabet yeni giriş
izmir rus escortlar
porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে বশর হত্যা ঘটনায় মামলা দায়ের : জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের সাঁড়াশী অভিযান চলছে

Basor-murder-f-up.jpg

বিশেষ প্রতিনিধি : টেকনাফে আবুল বশর হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। নিহতের স্ত্রী শামসুন নাহার বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে টেকনাফ থানায় হত্যা মামলাটি (নং-৩৫) দায়ের করেন। এতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেষখালীয়া পাড়া এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে আব্দুল হামিদ কে প্রধান আসামী করে এজাহার নামীয় ১৬ জন ও অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামী করা হয়েছে। তবে এখনো মামলার কোন আসামী আটক হয়নি।

থানার কর্তব্যরত অফিসার এস আই স্বপন কান্তি দাশ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরা জানান, পুলিশ হত্যাকারীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশী অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

প্রসঙ্গত, টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আবুল বশর (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে নিজ বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করেছে বলে দাবী করেছে তার পরিবার।

রবিবার (১১ আগস্ট) ভোররাত আড়াইটার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেষখালীর পাড়া এলাকায় । নিহত বশর একই এলাকার মৃত ফয়েজুর রহমানের ছেলে।

নিহতের পরিবার দাবী করেছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়েছে।

নিহত আবুল বশরের স্ত্রী শামসুন নাহার জানিয়েছেন, ১৫ থেকে ২০ জনের দল ঘরের দরজা ভেঙ্গে তার স্বামীকে তুলে নিয়ে গলা টিপে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে যায়।

এসময় থানায় খবর দেওয়া হলে উপ পরিদর্শক স্বপনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ভোরে পার্শ্ববর্তী চাষাবাদের জমি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের পর রবিবার সন্ধায় নামাজে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

শামসুন নাহার আরো জানান, স্বামীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় বাঁধা দিলে তাকেও মারধর করে ও দাড়ালো দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। তিনি উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। জমিজমার বিরোধ নিয়ে দীর্ঘদিনের এ শত্রুতা বলে জানান তিনি। এঘটনায় রবিবার রাতে একই এলাকার আজিজুর রহমানের ছেলে আব্দুল হামিদ কে প্রধান আসামী করে অন্যান্যদের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি ।

এদিকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ইয়াবা সংশ্লিষ্টটার অভিযোগ এনেছেন বশরের পরিবার। তারা জানান, অভিযুক্তরা ইয়াবা ব্যবসায় সম্পৃক্ত থাকার কারনে অবৈধ টাকার গরমে অত্যন্ত বেপরোয়া ও কাউকে তোয়াক্কা করে না। প্রধান অভিযুক্ত হামিদের ছেলে সরোয়ার কামাল মাস খানের পূর্বে ইয়াবাসহ আটক হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। সে আবার ১০২ আত্মসমর্পনকারী বদুরানের জামাতা। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে বশরের পা কেটে নেওয়া, বছর দুয়েক আগে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র দেলোয়ারকে হত্যা, এর আগে বশরের ছেলে মিজানকে হত্যার চেষ্টা সহ অসংখ্য মামলা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বশরের পরিবার। তাছাড়া পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে আব্দুল হামিদ মেম্বার নিহতের ঘটনায় পুলিশের দায়েরকৃত অস্ত্র-ইয়াবা, বন্দুকযুদ্ধ মামলার আসামী অভিযুক্ত হামিদ, দাবী বশরের পরিবারের। সব মিলিয়ে ডজনের বেশী মামলা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
antalya escort bursa escort adana escort mersin escort mugla escort