হ্নীলায় বসত-ভিটা বিরোধ ও নির্বাচনী শত্রæতায় কোরবানী বাজারে স্বশস্ত্র হামলায় একই পরিবারের ৭ জন রক্তাক্ত

Mul.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক :: হ্নীলায় দীর্ঘদিনের বসতভিটা বিরোধ ও নির্বাচনী শত্রæতার জেরধরে কোরবানী পশুর বাজারে প্রতিপক্ষের সংঘবদ্ধ স্বশস্ত্র হামলায় একই পরিবারের ৫জন রক্তাক্তসহ ৭জন গুরুতর আহত হয়েছে।

জানা যায়,গতকাল ৯আগষ্ট (শুক্রবার) বিকাল সাড়ে ৪টারদিকে উপজেলার হ্নীলা মৌলভী বাজারের পশুর হাট হতে স্থানীয় সোলতান আহমদের পুত্র সাদ্দামসহ পরিবারের অপরাপর সদস্যরা একটি কোরবানী গরু কিনে হাসিল শোধ করে রসিদ গ্রহণ করে গরু বাড়ি নিয়ে যাচ্ছিল। গরু বাড়িতে ঢুকানোর পূর্বে আলী আকবর পাড়ার আবুল খায়েরের পুত্র নুরুল বশর গিয়ে গরুর রসিদ দাবী করেন। তখন সাদ্দাম বলেন, বাবা গরু কিনেছে রসিদও তাঁরই হাতে রয়েছে। এরপরও নুরুল বশর জোর করে গরু নিয়ে যাওয়ার জন্য টানা-হেছঁড়া শুরু করে। তা নিয়ে দু‘জনের উত্তেজনার সৃষ্টি হলেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে থাকা নুরুল বশর গং দা-কিরিচ ও লাঠি-সোটা নিয়ে এসে সাদ্দাম গংয়ের উপর হামলা করে। এতে সাদ্দাম, সোলতান আহমদ, নুরুল আমিন, মোঃ নুর, শাহাব মিয়া, নুরুল আবছার রক্তাক্ত ও আহত হয়। এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার ফরিদুল আলম এবং নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে শান্ত করে রক্তাক্তদের উদ্ধার করে। পরে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

এই ব্যাপারে হ্নীলা ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী বলেন, আমি ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার পথে গরু-ছাগলসহ শত শত মানুষ পালাতে দেখে আমি ফরিদ মেম্বারকে সাথে নিয়ে গিয়ে এই পরিস্থিতি শান্ত করি।

এই ব্যাপারে হামলার শিকার সাদ্দাম অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের সাথে আমাদের দীর্ঘদিনের জমি-জমা বিরোধ এবং রাজনৈতিক নির্বাচনী শত্রæতার কারণে গরু বাজারের ইজারা আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালিয়েছে। এই ব্যাপারে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।