চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ আনোয়ার-আরাফাত আটক হলেও নয়াপাড়া ক্যাম্প সিন্ডিকেটের প্রকৃত গডফাদার ধরা-ছোঁয়ার বাইরে

R-1.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক : চট্টগ্রামে র‌্যাবের হাতে আটক হ্নীলা রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিক ইয়াবা পাচারকারী চক্রের সদস্য ও বহনকারী চালক আটক হলেও নয়াপাড়া ক্যাম্প ভিত্তিক সিন্ডিকেটের সদস্যদের আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।
জানা যায়, গত ৮ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) রাতে র‌্যাব-৭ এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানার মেরিনার্স রোডে একটি মাইক্রোবাস থামানোর জন্য সংকেত দিলে গাড়ি ফেলে পালানোর সময় র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে কক্সাজারে অবস্থানকারী হ্নীলা নয়াপাড়া ক্যাম্পে অবস্থানকারী আনোয়ার ইসলাম (২১)ও চট্টগ্রাম রাত্তাপুল,কেবি আমান আলী রোডের আকবর আলী বিল্ডিংয়ের মৃত মোহাম্মদ সেলিমের পুত্র ওমর রায়হান আরাফাত (২০)কে মাইক্রোসহ আটক করে বলে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মোঃ মাশকুর রহমান এই তথ্য জানান। তাদের স্বীকারোক্তিতে গাড়ির বিভিন্ন যোগানে কৌশলে লুকানো ৩১হাজার ৫শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা র‌্যাবকে জানান, এই মাদকের চালান নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর কোতোয়ালী থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
গাড়ির চালক নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের মৃত মোহাম্মদ সেলিমের পুত্র ওমর রায়হান আরাফাত (২০) রোহিঙ্গা নাগরিক হলেও চট্টগ্রাম রাত্তাপুল,কেবি আমান আলী রোডের আকবর আলী বিল্ডিংয়ের ভাড়া বাসায় অবস্থান করে স্মার্টকার্ড করে নেন। এখনো টেকনাফ-কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম রোডে এই স্মার্টকার্ডের দাপটে গাড়ি চালানোর আড়ালে মাদকের চালান পাচার করে আসছে।
এদিকে টেকনাফসহ পুরো দেশে মাদক বিরোধী অভিযান এবং বন্দুকযুদ্ধ অব্যাহত থাকলেও এই মাদকের চালানটি কে বা কারা পাচার করছিল তা তদন্ত পূর্বক অপরাধীদের চিহ্নিত কওে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছ।