বিভিন্ন অনলাইনে প্রকাশিত বানোয়াট ভিত্তিহীন সংবাদে রঙ্গিখালীর কলিমুল্লাহর ব্যাখ্যা ও তীব্র প্রতিবাদ

K.jpg

বার্তা পরিবেশক : সিবিএন ও উখিয়া নিউজ ডটকমসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত “সুপার ফখরুল ইসলামের উপর হামলাকারী কলিমুল্লাহ এখনো অধরা” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত মাদ্রাসার বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী এবং সংবাদ মাধ্যমের সম্মানিত পাঠকেরা নিশ্চয় প্রকৃত বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছেন। এই বিষয়ে নতুন করে আরো কিছু বলার নেই। তবে এই বিষয়কে কেন্দ্র করে এলাকার একটি স্বার্থান্বেষী কুচক্রীমহল এবার শত্রæতা হাসিলের জন্য অপরাধীদের যমদূত খ্যাত মাদক বিরোধী অভিযানের কবলে ফেলে সম্পূর্ণ নিরাপরাধ এক ব্যক্তিকে মাদকের গডফাদার সাজানো কতোটা যুক্তি সংগত তা জাতির বিবেক ও সুশীল সমাজের প্রতি প্রশ্নই রয়ে গেল।

সংবাদে উল্লেখিত ক্রসফায়ারে নিহত দিল মোহাম্মদের সাথে একই এনজিওতে ১৯৯২ সাল হতে ১৯৯৮ইং পর্যন্ত চাকরীর সুবাদে পরিচয় হয়। চাকরী শেষে সে আমার এক বছর পূর্বে সৌদিয়া চলে যায়। পরের বছর দেশে আয়-রোজগারের কোন ব্যবস্থা না দেখে আমিও সৌদিতে চলে যায়। তখন মোবাইলের যোগাযোগ ছিলনা। সে ছিল আবাহায় এবং আমি ছিলাম মক্কায়। যার দূরত্ব প্রায় ৯শ মাইল। একদিন সে ওমরা পালন করতে মক্কায় এলে তার সাথে আমার দেখা ও কথা-বার্তা হয়। এসময় তোলা ১২বছর আগের ১টি ছবি নিয়ে এখন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
আমি ২০০১সাল হতে প্রবাসে থাকা অবস্থায় একটি গিফট আইটেমের দোকানে সেলসম্যান হিসেবে চাকরীরত ছিলাম। চাকরীর টাকায় সংকুলান না হওয়ায় ২০১৬ সালের মাঝখানে রঙ্গিখালীর এক ব্যক্তিকে নিয়ে যৌথ শেয়ারে একটি মুদির দোকান ব্যবসা শুরু করি। এই ব্যবসার সাফল্য দেখে একটি মহল কফিলকে ম্যানেজ করে দোকানটি কেড়ে নিয়ে উল্টো টাকা পাওনা রয়েছে বলে স্টাম্প নিয়ে ভিসা বøক করে দেয়। এসব কাজে চরম ক্ষুদ্ধ হয়ে ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর মাসে দেশে ফিরে আসি। এরপর সংসার চালানো ও জীবিকা নির্বাহের জন্য একই বছরের ৮ইং নভেম্বর ডেইলী ওয়ার্কার হিসেবে একটি আর্ন্তজাতিক মানবিক চিকিৎসা সংস্থাতে চাকরী নিই। ২০১৮ সালের জানুয়ারী হতে উক্ত সংস্থাতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের পর হতে অদ্যবধি কর্মরত রয়েছি। উক্ত সংবাদে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় আমার নাম রয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে। কার সাথে আমি এই ধরনের ঘৃণ্য কাজে জড়িত ছিলাম তা প্রমাণ করার জন্য সংবাদ সরবরাহকারী ও প্রকাশকদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করছি।

প্রকৃতপক্ষে অত্র এলাকায় কারা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সহযোগী,অস্ত্রধারীদের শেল্টারদাতা ও অপকর্মের হোতা এবং কক্সবাজার র‌্যাবের হাতে ১লাখ ৫০হাজার ইয়াবাসহ আটক রবিউল আলমের ভাগিনা দক্ষিণ রঙ্গিখালীর হেলাল উদ্দিনের পুত্র আবছার উদ্দিন কার নিকটাতœীয়, তাদের সাথে কার যোগাযোগ তা তদন্ত করে বের করার জন্য সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ রইল।

আমি ফুটবল ও ব্যাডমিন্টনের একজন সাবেক কৃতি ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় একজন কৃতি ফুটবলার হিসেবে আমার পরিচিতি। আমি সৎপথে জীবনযাপন করি বিধায় এলাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করি। আমার জন্মের পর হতে অদ্যবধি আমি কোন ধরনের অন্যায় কাজ করিনি। সর্বদা অন্যায় এবং অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম, এখনো আছি ও আগামীতেও থাকব ইনশল্লাহ।

ইয়াবার মতো জঘন্য অপবাদে জর্জরিত উপরোক্ত মিথ্যা সংবাদটির সত্য-মিথ্যা প্রকৃতভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখার জন্য জেলার সর্বস্তরের সাংবাদিক ভাই ও আইন-প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি স্ববিনয় অনুরোধ রইল। এছাড়া পরিকল্পিতভাবে আমার পারিবারিক, সামাজিক ও পেশাগত জীবনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকারী মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
মোঃ কলিমুল্লাহ
পিতা : মৃত আজিজুর রহমান
রঙ্গিখালী, হ্নীলা,টেকনাফ।