porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফ কায়ুকখালী খাল দখলকারীরা রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী !

KK-KHAL_11.07.jpg

টেকনাফে নবনির্মিত কায়ুকখালী ব্রীজ ২ এর দক্ষিণ পূর্ব পাশে সহকারী কমিশনারের কয়েকদফা অভিযানের পরও পুনরায় কায়ুকখালী খাল ভরাট ও দখলের দৃশ্য

মোহাম্মদ শফি, টেকনাফ :
টেকনাফ পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী কায়ুকখালী খালের উভয় পার্শ্বে সরকারী জায়গা দখলের মহৌৎসব চলছে। ভূমিদস্যূ খাল দখলকারীরা এতোই শক্তিশালী যে খালটি দখল মুক্ত করা যাচ্ছে না। এখালটি নাফনদী মোহনা থেকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের পল্লান পাড়া হয়ে লেংগুরবিল ও জাহাঁলিয়া পাড়া পাহাড়ী এলাকা পর্যন্ত প্রায় ৪কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য রয়েছে। বর্ষার পানি এবং পাহাড়ী ঢলের পানি চলাচলের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এ কায়ুখখালী খাল। খায়ুকখালী খালের কতিপয় প্রভাবশালী ভূমিদশ্যু এবং অসাধূ ব্যবসায়ীরা প্রভাব বিস্তার করে এখালের উভয় পার্শ্বে সরকারী পরিত্যাক্ত জায়গা দখল করে গড়ে তোলেছে গুদাম এবং বিভিন্ন স্থাপনা। এমনকি খালের পরিত্যাক্ত জায়গা দখলের পর এবার খালের তীরটিও রক্ষা পাচ্ছেনা। সরকারীভাবে খালের উভয় তীরে সীমানা খুঁটি না থাকায় এসুযোগকে পুঁজি করে ভূমিদস্যুরা খালের জায়গা দখলে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছে। খালের দু’পার্শ্বে মাঠি ভরাট এবং সংকোচীত হওয়ায় বর্ষার ও পাহাড়ী ঢলের পানি চলাচলে বাঁধাগ্রস্থ হয়ে আশপাশের এলাকা জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। উল্লেখ থাকে যে কায়ুকখালী খাল একটি বাণিজ্যিক খাল হিসাবে খ্যাত। এ খালদিয়ে মায়ানমার থেকে বৈধ পন্য এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপের বসবাসকারী ও মৎসজীবিরা যাতায়াত করে থাকে। সরকার আসে সরকার যাই, কিন্তু খাল দখলকারী ভূমিদস্যুদের বিরোদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেই। আইনের প্রতি বৃদ্ধাংগুলি প্রদর্শন করে সরকারদলীয় লোকের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে খাল দখলে মেতে উঠেছে। প্রশাসনের নজরদারী এবং অভিযান না থাকায় খায়ুকখালী খালটি বর্তমানে অভিবাবক হীন অবস্থায় পড়ে আছে। এভাবে খালটি একেরপর এক দখল করায় এটি নাব্যতা হারিয়েছে। ফলে খালদিয়ে জলযান ও নৌযান স্বাভাবিকভাবে চলাচলে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় কায়ুকখালী খালের দখল নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নাফনদী মোহনা কায়ুকখালী খালটি ভূমিদস্যূ প্রভাবশালীদের নজর থেকে কোন মতেই রক্ষা করা যাচ্ছে না। প্রশাসন খালের দখল মুক্ত করার লক্ষে একাধিকবার প্রস্তুতি নিলেও রহস্যজনক ভাবে এ উদ্যোগ থমকে পড়ে। প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের লাল ফিতায় ওদের অপকর্ম ঢেকে রাখা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও এ পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনপ্রতিকার হয়নি। পৌরবাসী জনস্বার্থে ঐতিহ্যবাহী কায়ুকখালী খালটি দখল মুক্ত করতে প্রশাসনের কাছে জোরদাবী জানিয়েছে।

উল্লেখ্য যে, কায়ুকখালী খালের ব্রীজের দক্ষিন-পূর্ব পাশে মংগ্রী মার্কেটের মালিকসহ ১৩ জনের একটি ভূমিদস্যূ সিন্ডিকেটের কাছে জমি বিক্রি করলে কৌশলে তারা ইতি পূর্বে দখলের প্রস্তুতি নিলে তৎকালিন সহকারী কমিশনার(ভূমি) প্রণয় চাকমা কয়কেদফা অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করলেও পরবর্তীতে ওরা আবারও দখলে নেয়। খোদ সহকারী কমিশনারের কয়েকদফা অভিযানে উচ্ছেদ পুনরায় দখল করে নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে খাল দখলকারীরা কি রাষ্ট্রের চেয়েও শক্তিশালী !

খালদখলের বিষয়ে টেকনাফ সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবুল মনছুরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের অফিসে গিয়ে দেখা করতে বলেন। সেখানে উপস্থিত হয়ে কয়েকজন সাংবাদিক উক্ত বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বলেন, বিধানমতে সাংবাদিকদের সাথে তাঁর কথা বলার নিয়ম নেই।

এব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রবিউল হাছান জানান, বৃষ্টি কমলে পৌর মেয়রের যৌথ উদ্যোগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri