porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

চকরিয়ায় দুই ইউনিয়ন পরিষদে উপ-নির্বাচন ১২ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ, প্রচারণা শুরু

Chakaria-Picture-U.P-10-07-2019.jpg

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া :
আগামী ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার দুই ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বি ১২ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
প্রতীক বরাদ্দ প্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন চেয়ারম্যান পদে ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক মাঈনউদ্দিন মোহাম্মদ শাহেদ (আনারস), জামায়াত নেতা মো.ফরিদুল আলম (মোটর সাইকেল), ফাসিয়াখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান (ঘোড়া), যুবলীগের সহ-সভাপতি হাসনাত মোহাম্মদ ইউসুফ (রজনী গন্ধা), সাবেক মেম্বার রফিক আহমদ (টেলিফোন), যুবলীগ নেতা রিদুয়ানুল হক মজিদি (চশমা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.ইখতিয়ার উদ্দিন (অটো রিকসা)।
অপরদিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের উপ-নিবাচনে প্রতীক পেয়েছেন ৪ প্রার্থী। তাঁরা হলেন নুরুল ইসলাম (মোরগ), মো.সাইফুল ইসলাম (ফুটবল), নাছির উদ্দিন (তালা) ও মো.মনছুর আলম (টিউবওয়েল)।
প্রসঙ্গত: গত ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের পদটি শুন্য হয়ে যায়। একইভাবে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কালামের মৃত্যুজনিত কারণে পদটি শুন্য হয়।
জানা গেছে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত৩০ জুন প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল, ২ জুলাই মনোনয়নপত্র বাছাই, ৯ জুলাই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং গতকাল ১০ জুলাই ছিল প্রতীক বরাদের দিনক্ষন।
উপ-নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গতকাল প্রার্থীদের উপস্থিতিতে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৮ জন ও কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে ৪ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠিত নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসনের পক্ষথেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘এখন থেকে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মানতে হবে সকল প্রার্থীকে। যদি কোন প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri