porno izle sex hikaye
corum surucu kursu malatya reklam

টেকনাফে অর্ধশতাধিক মাদক আখড়ায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা, মদ-গাঁজা, ফেন্সিডিল

madak_tt-pic.jpg

সহজলভ্যতার কারনে কমছে না মাদকসেবীর সংখ্যা, আবার চাহিদা থাকায় সীমান্তে পাচার অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

টেকনাফে অর্ধশতাধিক মাদকের আখড়ায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, মদ-গাঁজা, বিয়ার সহ নানা মাদকদ্রব্য। এসব মাদক আখড়ায় কখনো প্রকাশ্যে কখনো গোপনে পরিস্থিতি অনুযায়ী কৌশল অবলম্বন করে মাদক বিকিকিনি অব্যাহত রেখেছে পাইকারী-খুচরা মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীরা। গত এক বছর যাবত সীমান্ত এলাকা টেকনাফসহ দেশব্যাপী মাদক বিরোধী সাঁড়াশী অভিযান অব্যাহত থাকলেও খুচরা মাদক বিক্রি ও সেবনকারীদের দৌরাত্ম থেমে নেই। টেকনাফসহ সাড়া দেশে অভিযানের পূর্বে যে দামে মাদক বিক্রি হতো এসব মাদকের মধ্যে বিশেষ করে ইয়াবার সহজলভ্যতার ফলেও চাহিদাও কমছে না, আবার চাহিদা না কমার ফলে সীমান্ত দিয়ে সরবরাহও একি আছে। তবে মাঝেমধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, র‌্যাব-পুলিশ-বিজিবিসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযানে শৃংখলা বাহিনীর অভিযানে মাদকসহ বিক্রেতা আটক হলেও পুনরায় সেসব স্থানে মাদক বিক্রি শুরু হয়। এভাবে টেকনাফে অর্ধশতাধিক মাদক আখড়ায় মাদক বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত এক বছরে দেশে মাদক পাচার আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদকের চাহিদা না কমার কারনে পাচার অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশে মাদকসেবী ও খুচরা মাদকস্পট গুলোতে তেমন জোড়ালো কোন অভিযান না থাকায় মাদকসেবীরা নির্বিঘেœ মাদক সেবন করে যাচ্ছে।

কক্সবাজারের মাদক নিরাময় কেন্দ্র ফিউচার লাইফ এর পরিচালক জসিম উদ্দিন কাজল জানান, মাদকের সহজলভ্যতার কারণে মাদকসেবীর হার আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশু মাদকসেবীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান তিনি। এই শিশু ও নারীদের শতভাগ ইয়াবা সেবী। আর চাহিদার কারনে মাদকের পাচার অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

টেকনাফ মাদকদ্র্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুস সালাম জানান, মাদক নিমুলে আমরা আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মাদকের আখড়া গুলোতে আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে থাকি। অভিযানে মাদকবিক্রেতা ও সেবনকারী আটকের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে থাকি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টেকনাফ সার্কেল অফিসের সদস্যরা গত ৬ মাসে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮৫ হাজার ২শ ৯৭ পিচ ইয়াবা, ৪৩১ লিটার চোলাই মদ, ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে। এসব অভিযানে ৮৮ জনকে গ্রেফতার করে ৬৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস এর কাছে মাদক আখড়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে জানান, পাইকারী-খুচরা, বড় ইয়াবা ব্যবসায়ী, গডফাদার সবাইকে আইনের আওতায় আনতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। প্রসঙ্গত মাদক বিরোধী অভিযানে টেকনাফে প্রায় ৮০ জনের মতো মাদক ব্যবসায়ী আইন শৃংখলা বাহিনী ও নিজেদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

টেকনাফস্থ ২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে.কর্ণেল ফয়সাল হাসান খান জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার কমেছে বলে মনে হচ্ছে না। গেল মাসে বিজিবি ২০ লাখের মতো ইয়াবা উদ্ধার করেছে বলে তিনি জানান।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Top
bahis siteleri